সংরক্ষিত বন কেটে ঘর নির্মাণ: দুই লাখ টাকা ঘুষের অভিযোগে বনবিট কর্মকর্তা
পেকুয়া উপজেলার জালিয়ারচাংয়ে ‘আসমানের খুঁটি’ নামে পরিচিত সংরক্ষিত পাহাড় কেটে সাবাড় করার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানান, পাহাড় কর্তনের ফলে পাশের বাড়িগুলো দুর্ঘটনার ঝুঁকিতে পড়েছে। অভিযোগ রয়েছে, টৈটং বনবিট কর্মকর্তা মো. এহেসান টাকার বিনিময়ে পাহাড় ও গাছ কাটার অনুমতি দিচ্ছেন। স্থানীয়রা দাবি করেছেন, নলকূপ বসানোর জন্য ১৫-৩০ হাজার টাকা, ঘর তৈরির জন্য ৫০ হাজার থেকে দুই লাখ টাকা দিতে হয়। তবে টাকা না দিলে মামলা বা শাস্তির হুমকি দেওয়া হয়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, প্রবাসী মোস্তাক আহমদ টৈটং বন এলাকায় দুই লাখ টাকার বিনিময়ে তিনতলা পাকা দালান নির্মাণ করেছেন। স্থানীয়রা আরও জানাচ্ছেন, রাতের বেলা ডাম্প ট্রাক ও এক্সক্যাভেটর দিয়ে পাহাড় কাটার কারণে আতঙ্ক সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা বিট কর্মকর্তাকে ম্যানেজ করে পাহাড় কাটাচ্ছেন। পাহাড় কর্তনের ফলে আবদুল খালেক, আবদুল মালেক ও মোহাম্মদ শোয়াইবের বাড়ি ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। বাসিন্দারা বলেন, ‘পাহাড়টি কেটে ফেলার ফলে যেকোনো সময় ভূমিধস ঘটতে পারে।’
অভিযোগ রয়েছে, বিট কর্মকর্তার সহযোগী অলি আহমদ অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করছেন। একই সঙ্গে নিরপরাধ মানুষদের মামলা বা চাঁদা দিয়ে ভয় দেখানো হচ্ছে। টৈটং ইউনিয়ন ও পেকুয়া উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন। চট্টগ্রাম দক্ষিণ বন বিভাগের বারবাকিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা খালেকুজ্জামান বলেছেন, সত্যতা পাওয়া গেলে বিট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।