‘৩২’-এর পক্ষে কথা বললে সমস্যা কোথায়-প্রশ্ন নিলোফার মনির
বিএনপির স্বনির্ভর বিষয়ক সহ-সম্পাদক নিলোফার চৌধুরী মনি বলেছেন, একজন সাংবাদিক বা রাজনৈতিক নেতা তার মনের ভাব প্রকাশ করতেই পারেন। দীর্ঘ সময় মতপ্রকাশের সুযোগ সীমিত ছিল বলেই পরিবর্তন এসেছে-এমন প্রেক্ষাপটে এখন কেউ ধানমন্ডি ৩২ নম্বরের পক্ষে কথা বললে সেটিকে কেন প্রশ্নবিদ্ধ করা হবে-এমন প্রশ্ন তোলেন তিনি।
তিনি বলেন, “বত্রিশ ভাঙা হয়েছে-এ কথা বলার অধিকার সবার আছে। কারও মতপ্রকাশে বাধা দিলে বিষয়টি আরও বড় হয়ে যায়।” রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করা হলে জনগণই চূড়ান্ত বিচার করত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। নিলোফার মনি উদাহরণ টেনে বলেন, জাতীয় পার্টির ক্ষেত্রে যেমন জনগণ মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে, তেমনি আওয়ামী লীগকেও জনগণই মূল্যায়ন করত। রাজনৈতিক মতপার্থক্যের সমাধান রাজনৈতিকভাবেই হওয়া উচিত বলে তিনি মত দেন।
ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের ঐতিহাসিক বাড়িটি জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমানের বাসভবন হিসেবে পরিচিত। ভবনটি ভাঙার ঘটনায় প্রশ্ন তুলে নিলোফার মনি বলেন, এটি কেবল কয়েক কোটি টাকার স্থাপনা নয়; এর মানসিক ও ঐতিহাসিক মূল্যও রয়েছে। ভবনের ভেতরে থাকা বিভিন্ন স্মারকের গুরুত্বের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও প্রশ্ন তোলেন, “যারা ভেঙেছে তারা কীভাবে বলে ‘একটি ইটও রাখা হবে না’? বুলডোজার কোথা থেকে এলো এবং সরকারি সংশ্লিষ্টতা ছাড়া এমন ঘটনা কীভাবে ঘটল-তা নিয়েও জানতে চান তিনি। একই সঙ্গে একটি ভবন ভাঙতে যতটা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে, অস্ত্র উদ্ধারের মতো বিষয়ে ততটা গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে কি না-সেটিও তুলনা করে দেখেন।
দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ের জন্য সংশ্লিষ্টদের জবাবদিহির আওতায় আনার দাবি জানান বিএনপির এই নেতা।