নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে ৫ যুক্তি দিল কর্মকর্তা-কর্মচারীরা
দ্রুত নবম জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা ও গেজেট প্রকাশের দাবিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি দিয়েছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী কল্যাণ সমিতি (কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক কমিটি)। সোমবার (২ মার্চ) সমিতির আহ্বায়ক আবদুল মালেক ও সদস্য সচিব আশিকুল ইসলামের নেতৃত্বে আট সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্মারকলিপি জমা দেয়।
স্মারকলিপিতে বলা হয়, প্রশাসন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইন-শৃঙ্খলা ও অবকাঠামো উন্নয়নসহ রাষ্ট্র পরিচালনার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ খাতে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিষ্ঠা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন। তবে ২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় বেতন কাঠামো ঘোষণার পর প্রায় এক দশক পেরিয়ে গেলেও নবম পে-স্কেল ঘোষণা না হওয়ায় তারা আর্থিক চাপে পড়েছেন।
সংগঠনটির দাবি, দীর্ঘ সময় বেতন কাঠামো অপরিবর্তিত থাকায় সরকারি চাকরিজীবীদের ন্যায্য অধিকার ক্ষুণ্ন হয়েছে। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী সাধারণত প্রতি পাঁচ বছর পর নতুন পে-স্কেল ঘোষণার কথা থাকলেও এবার তা হয়নি।
দ্বিতীয়ত, ২০১৫ সালের তুলনায় খাদ্যদ্রব্য, পরিবহন, বাসাভাড়া, বিদ্যুৎ-গ্যাস, শিক্ষা ও চিকিৎসা ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে। কিন্তু সেই অনুপাতে বেতন কাঠামোয় মৌলিক পরিবর্তন না আসায় জীবনযাত্রার ব্যয় সামাল দিতে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
তৃতীয়ত, বর্তমান বেতন কাঠামো বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হওয়ায় সরকারি চাকরির আকর্ষণ কমছে এবং কর্মচারীদের মনোবলে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে বলে উল্লেখ করা হয়।
চতুর্থত, ন্যায্য বেতন নিশ্চিত হলে কর্মস্পৃহা ও দায়িত্ববোধ বাড়বে, যা প্রশাসনিক কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং সেবার মান উন্নয়নে সহায়ক হবে বলে মনে করে সংগঠনটি।
পঞ্চমত, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জীবনমান উন্নত হলে তা রাষ্ট্রের সামগ্রিক উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। তাই দ্রুত নবম পে-স্কেল ঘোষণা ও গেজেট প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে স্মারকলিপিতে।
এনআর-