দেশে তেল ও গ্যাসের সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। সম্ভাব্য সংকট মোকাবিলায় এখন থেকেই জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানি তেলের দামের ওঠানামা এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় অনিশ্চয়তার কারণে দেশের জ্বালানি খাতে ভবিষ্যতে চাপ তৈরি হতে পারে। এ পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় সতর্কতা অবলম্বন এবং অপচয় কমানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, জ্বালানি সাশ্রয়ের লক্ষ্যে বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিল্পকারখানা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে তেল ও গ্যাস ব্যবহারে আরও বেশি দক্ষতা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অপ্রয়োজনীয় জ্বালানি ব্যবহার কমানো এবং অপচয় রোধে কঠোর নজরদারি বাড়ানোর বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।
বিশেষ করে বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে জ্বালানি ব্যবহারের দক্ষতা বাড়ানো, শিল্প খাতে সাশ্রয়ী প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানো এবং সরকারি অফিসগুলোতে অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহার কমানোর বিষয়টি জোর দিয়ে বলা হয়েছে।
জ্বালানি খাত সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে পরিকল্পিতভাবে জ্বালানি ব্যবহার নিশ্চিত করা না গেলে ভবিষ্যতে সরবরাহ ব্যবস্থায় চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই এখন থেকেই সচেতনতা বাড়ানো এবং জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা আনা জরুরি।
বিশেষজ্ঞদের মতে, জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয়টি শুধু সরকারি উদ্যোগের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে হবে না। সাধারণ মানুষকেও এ বিষয়ে সচেতন হতে হবে। অপ্রয়োজনীয় বিদ্যুৎ ব্যবহার কমানো, জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি ব্যবহার এবং বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে সামগ্রিকভাবে জ্বালানি ব্যবস্থাপনায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনা সম্ভব।
তাদের মতে, পরিকল্পিতভাবে জ্বালানি ব্যবস্থাপনা এবং সাশ্রয়ী ব্যবহার নিশ্চিত করা গেলে সম্ভাব্য সংকট অনেকটাই মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।