জামায়াতে ইসলামী সংরক্ষিত মহিলা আসনে আগামী সংসদে অংশগ্রহণের জন্য প্রাথমিক তালিকা তৈরি করেছে। তালিকায় ছাত্রী সংস্থা ও দলীয় কেন্দ্রীয় দায়িত্বে থাকা নারী নেত্রীদের নাম অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। উল্লেখযোগ্যভাবে, কিছু নারী জ্যেষ্ঠ নেতার স্ত্রী হলেও তাদের মনোনয়ন হবে স্বতন্ত্র দায়িত্ব ও যোগ্যতার ভিত্তিতে, কেবল পারিবারিক পরিচয়ের কারণে নয়।
জামায়াত সূত্র জানিয়েছে, দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ৮৮ সদস্যের মধ্যে ২১ জন নারী, যারা দীর্ঘদিন বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রথমবারের মতো এই নারী নেতাদের নাম প্রকাশ করা হয়েছে। দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল আবদুল হালিম জানান, আগে নিরাপত্তার কারণে নারী সদস্যদের নাম প্রকাশ করা সম্ভব হত না।
প্রাথমিক তালিকায় থাকা নেত্রীদের মধ্যে রয়েছেন:
নূরুন্নিসা সিদ্দীকা, সাঈদা রুম্মান, মারজিয়া বেগম, খোন্দকার আয়েশা খাতুন, সাবিকুন্নাহার মুন্নী, উম্মে নওরিন, ডা. হাবিবা আখতার চৌধুরী সুইট, খোন্দকার আয়েশা সিদ্দীকা, রোজিনা আখতার, ইরানী আখতার, সালমা সুলতানা, আয়েশা সিদ্দিকা পারভীন, সুফিয়া জামাল, মাহবুবা জাহান, নাজমুন নাহার, ডা. আমিনা বেগম, শামীমা বেগম, আমেনা বেগম, উম্মে খালেদা জাহান, জান্নাতুল কারীম এবং মাহবুবা খাতুন।
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল জানান, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদের জ্যেষ্ঠ নারী নেতাদের অধিকাংশের নাম সংরক্ষিত মহিলা আসনের মনোনয়ন তালিকায় থাকবে। দলীয় নেতৃত্ব ও সংসদীয় দলের সম্মিলিত সিদ্ধান্তের পরে চূড়ান্ত তালিকা ঘোষণা করা হবে।
সংরক্ষিত আসন বণ্টন অনুযায়ী, জামায়াত ৬৬ সাধারণ আসনের জন্য ১১টি মহিলা আসন পাবে। অন্য জোট শরিকদের সমর্থন থাকলে সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। এনসিপি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসসহ জোট শরিকদের সমর্থনের ভিত্তিতে বাকি আসন বণ্টন নিশ্চিত করা হবে।
জামায়াতের নীতি অনুযায়ী, ছাত্রী সংস্থার সাবেক সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির বর্তমান নেত্রীদের প্রাথমিকভাবে মনোনয়ন দেওয়া হচ্ছে। পারিবারিক সম্পর্ক কোনো প্রভাব ফেলবে না; পদ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে শুধুমাত্র পূর্ব দায়িত্ব ও যোগ্যতা বিবেচনা করা হবে।