পটুয়াখালীর কুয়াকাটায় সরকারি খাস জমির গাছ কেটে বিক্রি করার অভিযোগে শ্রমিক দলের এক নেতা ও কৃষক দলের এক নেতাসহ চারজনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এ ঘটনায় অজ্ঞাতপরিচয় আরও ৭-৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।
শনিবার মহিপুর থানায় মামলাটি দায়ের করেন ইউনিয়ন ভূমি অফিসের উপ-সহকারী ভূমি কর্মকর্তা মোহাম্মদ আসিফ নূর। বাদী জানান, কুয়াকাটা পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ডে হোটেল সী-কুইন সংলগ্ন বিএস ১ নম্বর খাস খতিয়ানের ৩৪২১ ও ৩৪২৭ নম্বর দাগের সরকারি জমিতে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রয়েছে। স্থানীয় ডিসি বাংলোর কর্মচারীরা এসব সরকারি সম্পত্তির দেখভাল করেন।
মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ১১ মার্চ সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টার দিকে ওই সরকারি জমিতে একটি রেইন্ট্রি গাছ দেখা যায়। কিন্তু রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গিয়ে গাছটি আর পাওয়া যায়নি। পরদিন বিষয়টি ভূমি অফিসকে জানানো হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা ঘটনাটি খতিয়ে দেখেন। স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, আসামিরা গাছটি কেটে ভ্যানযোগে নিয়ে গেছে।
মামলায় যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন-কুয়াকাটা পৌর শ্রমিক দলের সহসভাপতি মো. জসিম মৃধা, কাদের, পৌর কৃষক দলের সাধারণ সম্পাদক আলমাস ও রাসেল। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মো. জসিম মৃধা। তিনি দাবি করেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে ষড়যন্ত্র করে তাকে এ ঘটনায় ফাঁসানো হয়েছে। ১৪ মার্চ আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ দাবি করেন।
এ বিষয়ে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মহব্বত খান বলেন, সরকারি সম্পত্তি চুরির অভিযোগে মামলাটি করা হয়েছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।