বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নেতৃত্ব ও কর্মশৈলীকে প্রশংসা করেছেন।
মঙ্গলবার ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে পূর্বে কাজ করার অভিজ্ঞতা নেই। তবে গত এক মাস ধরে বিভিন্ন আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক এবং ওয়ান-অন-ওয়ান রিভিউতে সময় কাটানোর সুযোগ হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কিছু লিডারশিপ চরিত্র আমাকে আশাবাদী করেছে।”
আশিক চৌধুরী প্রধানমন্ত্রীর তিনটি মূল বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করেন—
শ্রোতাশক্তি: সবাইকে ধৈর্য্য ধরে শোনেন, কাউকে চাপ দেন না।
ফলমুখী নেতৃত্ব: প্রতিটি উদ্যোগে “কী ফল পাওয়া যাবে এবং কত দ্রুত” তা সবাইকে প্রশ্ন করেন।
দৃষ্টান্ত স্থাপন: নিজেই সময়ানুবর্তী, শিষ্টাচারপূর্ণ ও অনাড়ম্বরভাবে দায়িত্ব পালন করেন।
চেয়ারম্যান জানান, তিনি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গতকাল একটি ক্যাচ-আপ বৈঠকে বিডার ১৮০ দিনের পরিকল্পনা শেয়ার করেছেন। বৈশ্বিক অস্থিরতার কারণে বিদেশী সরাসরি বিনিয়োগে (FDI) প্রভাব পড়ায়, বাংলাদেশে দেশী ও বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির পাশাপাশি কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে গুরুত্ব দেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, “কিছু উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপের মধ্যে রয়েছে সরকারি রুগ্ন ও বন্ধ শিল্প কারখানার প্রাইভাটাইজেশন, ফ্রি ট্রেড জোন ও সমরাস্ত্র শিল্প নীতিমালা প্রকাশ, বিকল্প জ্বালানি ব্যবস্থা অনুসন্ধান, সমুদ্র ও বিমানবন্দর আধুনিকায়ন, প্রধানমন্ত্রীর প্রাইভেট সেক্টর এডভাইসরি কাউন্সিল গঠন, ‘বাংলাবিজ’-এর সম্প্রসারণ এবং কোরিয়া-বাংলাদেশ ফ্রি ট্রেড এগ্রিমেন্ট সম্পন্ন।”
আশিক চৌধুরী বলেন, ছয় মাসের শেষে এ পদক্ষেপের ফলাফল যাচাই করে রেজাল্ট কার্ড তৈরি করা হবে। তিনি ব্যক্তিগতভাবে জানান, প্রধানমন্ত্রী অনুমতি দিয়েছেন সামনেও প্যারাসুট নিয়ে ঝাঁপ দিতে, তবে হাত-পা ভাঙবে না। এছাড়া ব্যস্ততার কারণে এখনও কোনো সেলফি হয়নি।