কৃষক কার্ড ও পরিবারভিত্তিক সহায়তা কর্মসূচি চালুর মাধ্যমে দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে বলে জানিয়েছেন তারেক রহমান। বুধবার বিকেলে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেনের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষক কার্ড ও পরিবারভিত্তিক সহায়তা কর্মসূচির আওতায় প্রাথমিকভাবে নির্দিষ্টসংখ্যক উপকারভোগীকে অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং ধাপে ধাপে এর পরিধি বাড়ানো হবে। তিনি জানান, কৃষক কার্ডধারীরা বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে সহায়তা পাবেন। অন্যদিকে ফ্যামেলি কার্ডপ্রাপ্ত নারীরা প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে পাবেন।
তিনি আরও বলেন, একযোগে সবার কাছে এ সুবিধা পৌঁছে দেওয়া সম্ভব নয়। তাই প্রতি বছর বাজেটের আকার বাড়িয়ে ধীরে ধীরে আরও বেশি মানুষকে এই কর্মসূচির আওতায় আনা হবে। বাজেটে এ খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।
এছাড়াও মূল্যস্ফীতির বিষয়ে আশঙ্কা নাকচ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতিরিক্ত টাকা ছাপিয়ে এ কর্মসূচি পরিচালনা করা হচ্ছে না। ফলে মূল্যস্ফীতির চাপ বাড়ার সম্ভাবনা নেই। বরং এই অর্থ দেশের ভেতরেই ব্যয় হবে, যা স্থানীয় অর্থনীতিকে গতিশীল করবে। তিনি বলেন, সহায়তার এই অর্থ দিয়ে উপকারভোগীরা সন্তানদের শিক্ষা, পুষ্টি ও দৈনন্দিন প্রয়োজন মেটাতে পারবেন। পাশাপাশি অনেকে ছোট আকারে ব্যবসা শুরু করতে পারবেন, যা সামগ্রিকভাবে অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে ভূমিকা রাখবে। সব মিলিয়ে এই কর্মসূচির মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে এবং অভ্যন্তরীণ বাজার আরও সক্রিয় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।