ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন আগামী ১২ মে অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক বণ্টন অনুযায়ী, ৫০টি আসনের মধ্যে বিএনপি নেতৃত্বাধীন জোট পেতে পারে ৩৬টি, জামায়াত জোট ১৩টি এবং স্বতন্ত্র জোট পেতে পারে একটি আসন।
সোমবার কমিশন সভা শেষে এ তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনের সচিব আখতার আহমেদ। এদিন প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসিরুদ্দিন এর সভাপতিত্বে সভা অনুষ্ঠিত হয়। সচিব আখতার আহমেদ জানান, আগামী বুধবার (৮ এপ্রিল) এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে। তফসিলে মনোনয়নপত্র জমা, যাচাই-বাছাই এবং প্রত্যাহারের শেষ সময় উল্লেখ থাকবে। নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া হবে।
আইন অনুযায়ী, জাতীয় সংসদের সাধারণ আসনে নির্বাচনে বিজয়ী দলগুলোর আসনসংখ্যার ভিত্তিতে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টন করা হয়। এ ক্ষেত্রে সাধারণ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্যরাই ভোট দিয়ে সংরক্ষিত আসনের সদস্য নির্বাচন করেন। সাধারণত দলগুলো যাদের মনোনয়ন দেয়, তারাই নির্বাচিত হন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপি ২০৯টি আসনে জয়লাভ করে। দলটির মিত্রদের মধ্যে গণ অধিকার পরিষদ, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি) ও গণসংহতি আন্দোলন একটি করে আসন পেয়েছে। অপরদিকে জামায়াতে ইসলামী ৬৮টি আসনে জয় পেয়ে বিরোধী দলে অবস্থান করছে। তাদের জোটের শরিক এনসিপি ছয়টি, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস দুটি এবং খেলাফত মজলিস একটি আসন পেয়েছে।
দুই জোটের বাইরে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ একটি আসন লাভ করে এবং স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সাতটি আসনে জয়ী হন। নির্বাচনের পরদিন ১৩ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন কমিশন বিজয়ীদের গেজেট প্রকাশ করে। আইন অনুযায়ী, ওই গেজেট প্রকাশের ৯০ দিনের মধ্যে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়।
ইতোমধ্যে সাধারণ আসনে নির্বাচিত সংসদ সদস্যদের ভোটার তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী দল ও স্বতন্ত্রদের জোট গঠনের বিষয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছে। দল ও জোটভিত্তিক আসন চূড়ান্তের পরই তফসিল ঘোষণা করা হচ্ছে।