আসন্ন পাবলিক পরীক্ষাগুলোতে ‘নীরব বহিষ্কার’ বা সাইলেন্ট এক্সপেল-এর কোনো সুযোগ থাকছে না বলে জানিয়েছেন শিক্ষা, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া ছাড়া কাউকে বহিষ্কার করা আইনসম্মত নয়।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এসএসসি, এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা-২০২৬ সুষ্ঠুভাবে আয়োজনের লক্ষ্যে অংশীজনদের সঙ্গে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, শিক্ষা বোর্ডের নীতিমালায় থাকা বিতর্কিত ২৯ নম্বর ধারা, যেখানে ‘নীরব বহিষ্কার’-এর বিধান ছিল, তা অবিলম্বে বাতিলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, ‘নীরব বহিষ্কার’ নামে কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা থাকতে পারে না এবং এটি সম্পূর্ণ আইনবিরুদ্ধ। কাউকে শাস্তি দিতে হলে স্বচ্ছ ও যথাযথ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তা করতে হবে। পরীক্ষা কেন্দ্রে অপরাধ প্রমাণিত না হয়ে কাউকে পরে বহিষ্কার করা গ্রহণযোগ্য নয়।
সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ নিয়ে যে বিভ্রান্তি ছড়িয়েছে, তা পুরনো নীতিমালার অসংগতিপূর্ণ কপির কারণে হয়ে থাকতে পারে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। এ বিষয়ে দ্রুত স্পষ্টীকরণ বিজ্ঞপ্তি জারি করবে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি।
মন্ত্রী জানান, আগামী ২ জুলাই থেকে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে এবং পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে তা সম্পন্ন করা হবে। এর আগে ২১ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষায় কড়াকড়ি ব্যবস্থা মূলত শিক্ষার্থী নয়, বরং শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিবদের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নেওয়া হয়েছে। শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে, যার মধ্যে এনটিআরসিএ’র মাধ্যমে প্রধান শিক্ষক ও অধ্যক্ষ নিয়োগ প্রক্রিয়াও উল্লেখযোগ্য।
সভায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানসহ মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি যুক্ত ছিলেন।