আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণের পরবর্তী কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের প্রেস উইং।
এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, এ বিষয়ে আইএমএফ এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেয়নি। বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ১৬ এপ্রিল বৃহস্পতিবার বাংলাদেশের সঙ্গে আইএমএফের কোনো বৈঠক হয়নি; বরং এ বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয় গত শুক্রবার। ওই বৈঠকেও ঋণের কিস্তি ছাড়ের বিষয়ে কোনো আলোচনা বা সিদ্ধান্ত হয়নি।
বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠকের ফাঁকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী-এর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল আইএমএফের সঙ্গে দুই দফা বৈঠক করে। সকালে আইএমএফের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক কৃষ্ণা শ্রীনিবাসন এবং বিকালে আইএমএফের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নাইজেল ক্লার্ক-এর সঙ্গে বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী বর্তমান সরকারের অর্থনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি ও নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির বিষয়গুলো তুলে ধরেন। বিশেষ করে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি এবং ব্যাংক ও আর্থিক খাতের সংস্কার নিয়ে আলোচনা হয়। এসব বিষয়ে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দুই পক্ষ একমত পোষণ করেছে।
তবে কিছু বিষয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে বলে উভয় পক্ষ মনে করে। বিশেষ করে জনগণের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলোতে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করা হয়েছে। কিছু ক্ষেত্রে মতভিন্নতা থাকলেও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার বিষয়ে দুই পক্ষই একমত হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে সব বিষয়ে ঐকমত্যে পৌঁছানো সম্ভব বলে উভয় পক্ষই আশাবাদী। আইএমএফ বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন অংশীদার হিসেবে বর্তমান সরকারের মেয়াদে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে পাশে থাকার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছে।