দিল্লির পর কলকাতায়ও বিক্ষোভের প্রস্তুতি সিজেপির
কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবিতে দিল্লির যন্তর মন্তরে চলমান আন্দোলন অব্যাহত রেখেছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। একই সঙ্গে আন্দোলনের পরিধি বাড়িয়ে কলকাতায়ও বিক্ষোভ মিছিল আয়োজনের প্রস্তুতি নিচ্ছে সংগঠনটি। ফলে প্রশ্নপত্র ফাঁস ইস্যুকে কেন্দ্র করে ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা আরও বাড়ছে।
এদিকে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো পার্লামেন্ট ভবনের বাইরে প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন কংগ্রেসসহ বিভিন্ন বিরোধী দলের নেতারা। তারা প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় দায়ীদের শাস্তি এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেছেন। চলমান পরিস্থিতির মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে ফাস্ট-ট্র্যাক আদালত গঠনের আশ্বাস দিয়েছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, দেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষা দেওয়া সরকারের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িতদের দ্রুত ও কঠোর শাস্তির আওতায় আনতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।
অন্যদিকে আন্দোলন ঘিরে নতুন অভিযোগ তুলেছেন সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপক। তার দাবি, আন্দোলনকে বিতর্কিত করতে বাইরের লোকজনকে ব্যবহার করে সহিংসতার পরিবেশ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে নেতিবাচক ধারণা সৃষ্টি করতেই এমন কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রশাসন বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। নিরাপত্তাজনিত কারণে মান্ডি হাউজ, সুপ্রিম কোর্টসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ মেট্রো স্টেশন সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে। এতে দৈনন্দিন যাতায়াতে ভোগান্তিতে পড়েছেন হাজারো যাত্রী।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। আন্দোলনকারীদের কর্মসূচি এবং সরকারের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে এখন নজর রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের।