Logo

  বঙ্গাব্দ

Follow US on Social Media

 শীর্ষ সংবাদ
🔴 চোর থেকে যেভাবে খুনি হলো তুহিন 🔴 অপ্রতিম হত্যা : আটক কিশোরের বাসা থেকে উদ্ধার সেই আইফোন 🔴 'নিরাপত্তা জোরদারের মধ্যেই ঢাকায় বাসে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ' 🔴 ভোর রাতের বৃষ্টিতে সয়লাব রাজধানী 🔴 সৌদি আরবকে সহায়তায় প্রস্তুত তুরস্ক 🔴 অপ্রতীমের প্রথম জানাযা সম্পন্ন: দাফন হবে গন্ধমতিতে 🔴 পদ ছাড়াই নিয়োগ (!) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চাকরিতে তুঘলকি কান্ড 🔴 ৮দফা দাবীতে ১১ দলের লং মার্চ এগিয়ে যাচ্ছে রংপুর অভিমুখে 🔴 মাগুরার বিশিষ্ট সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব প্রয়াত জায়েদ বিন কবির ও আশীষ রায় স্মরণে নাগরিক স্মরণ সভা 🔴 ইরানি ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিল করলো তুরস্ক 🔴 বিভিন্ন দেশের একজন করে ক্রিকেটারের নাম বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়ক। 🔴 কুমিল্লায় শিশু অপ্রতীম হত্যায় এক সন্দেহভাজন আটক 🔴 বেঁচে থাকলে আজ ৫৫ তে পা দিতেন কিংবদন্তী নায়ক সালমান শাহ 🔴 মানিকগঞ্জে শিশুসহ দম্পতির লাশ মিলল ঘরের মাঝে 🔴 নতুন ঘোষিত পে স্কেলে যারা বেতন পাবেন না 🔴 অভিন্ন সিলেবাসে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ মানবসম্পদ গড়তে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ 🔴 নতুন বেতন কাঠামোয় সরকারি চাকরিজীবীদের প্রজ্ঞাপন জারি 🔴 পুলিশের ওপর উল্টো ড্রোন দিয়ে নজর রাখছে অপরাধীরা! 🔴 নিখোঁজের একদিন পর জঙ্গলে মিলল কুবি শিক্ষকের ছেলের মরদেহ 🔴 এসআই পরিক্ষায় লিখিত পরিক্ষার ফল প্রকাশ 🔴 ধানমন্ডী আবাহনী মাঠকে সবার জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা 🔴 রাজনৈতিক কাজে বা দলে যাবে না সিএসআরের অর্থ 🔴 আড়াই লাখ কোটি টাকার মেট্রোরেল, ভাড়া দিয়ে কি ঋণের কিস্তি শোধ হবে? 🔴 আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাচ্ছে দুদক? 🔴 ‘ফুললি ফান্ডেড’ বৃত্তি নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন 🔴 এলএনজি বাড়লেও গ্যাস সংকট কাটেনি, শিল্পে স্বস্তি ফিরবে কবে? 🔴 ভারতীয় ইলিশ ‘দেশি’ বলে বিক্রি, যশোরে আড়তদারকে জরিমানা 🔴 ঢাকায় লোকাল বাস: যাত্রা নাকি প্রতিদিনের দুঃসহ পরীক্ষা? 🔴 প্রকাশ পাচ্ছে ইউনূস সরকারের লুটতন্ত্রের থলের বিড়াল 🔴 লোডশেডিংয়ের মধ্যেই কেন বাতিল হলো ৩৬ বিদ্যুৎকেন্দ্র? 🔴 আনিসুল হকের ১৭২ কোটি টাকার সম্পদ 🔴 ২০২৭ সালের পাঠ্যবইয়ে থাকছে জিয়াউর রহমানের ‘স্বাধীনতা যুদ্ধের স্মৃতি’ 🔴 ‘কিং’ নিয়ে জল্পনার অবসান, মুক্তির তারিখ জানালেন শাহরুখ 🔴 নামজারিতে সরকারি ফির বাইরে ৭০ হাজার টাকা দাবি, তহশিলদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ 🔴 দুপুরে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে প্রেস ব্রিফিং 🔴 সৌদি সরবরারে ঝুঁকির মধ্যেও কমল তেলের দাম 🔴 সঞ্চয়পত্রের টাকা পেতে আর হবে না ভুল হিসাবের ঝামেলা, চালু এভিএস 🔴 মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতেই কি ফিরছে পুরোনো সিন্ডিকেটের ছায়া? 🔴 ইউপি নির্বাচনের সময়সূচি এখনো চূড়ান্ত নয়: ইসি সচিব 🔴 মুকুল জামিলের পর সজীব 🔴 একদিনে ঢাকায় ৪ জনের মৃত্যু 🔴 মা ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা 🔴 ৩৫০ বছর পর রাজকীয় কক্ষের দেখা 🔴 মানবতাবিরোধী অপরাধে ওবায়দুল কাদেরসহ ৭ জনের ফাঁসির রায় 🔴 কৃষকের চাহিদামতো সার মিলবে 🔴 হাটহাজারীতে গোলা বিস্ফোরণে শহীদ সেনাসদস্যদের পরিবারকে প্রধানমন্ত্রীর আর্থিক সহায়তা 🔴 পিআইবির মহাপরিচালক পদে আবারও ফারুক ওয়াসিফ 🔴 অনলাইন জুয়ার ফাঁদে সর্বনাশ! ডার্ক ওয়েবে ৩ লাখ ৬০ হাজার বাংলাদেশির তথ্য 🔴 ইসলামী ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত কয়েকজন 🔴 তেলের দামে উল্লম্ফন, ফেডের সিদ্ধান্তের আগে কমল স্বর্ণের দাম 🔴 আসিফ নজরুলকে গ্রেপ্তারের দাবি এনসিপি নেতার, ‘প্রতিশ্রুতি রাখেননি’ 🔴 ভেনিস উৎসব থেকে দেশে ফিরে বাঁধন: ‘জুলাই যোদ্ধারা নয়, হামলাকারীরাই অনিরাপদ’ 🔴 শেরপুর সীমান্তে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় ওষুধ জব্দ 🔴 ‘দ্বিতীয় জীবন’: বন্যায় প্লাবিত টানেলে ১০ দিন বেঁচে থাকার বর্ণনা নেপালি শ্রমিকের 🔴 একাদশে ভর্তির আবেদন আজ রাতেই শেষ, সুযোগ থাকছে ফল পরিবর্তনকারীদেরও 🔴 কর্ণফুলীতে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনা: বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে ফেরার পথে নিহত ৪, আহত ১১ 🔴 খেলোয়াড় নয়, এবার অভিভাবকদের জন্য ‘ব্ল্যাক কার্ড’—কেন এমন সিদ্ধান্ত? 🔴 নবম পে স্কেলের গেজেট প্রকাশের পথে, আইবাস++-এ স্বয়ংক্রিয় হবে বেতন নির্ধারণ 🔴 থানার মাত্র কয়েকশ মিটার দূরে দিনদুপুরে গুলি, যুবক নিহত 🔴 শিক্ষার মান বাড়লেই বদলাবে বাংলাদেশ : দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রী 🔴 ৯/১১ হামলার ২৫ বছর: শোক, স্মৃতি আর ক্ষত এখনো বয়ে বেড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র 🔴 ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে দেশবাসীর সহযোগিতা চান প্রধানমন্ত্রী, পরিচ্ছন্নতায় সপ্তাহে এক ঘণ্টা 🔴 মায়ের শেষকৃত্যে অংশ নিতে ৫ ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি পাচ্ছেন চিন্ময় 🔴 মাগুরায় ট্রাকচাপায় মোটরসাইকেল আরোহী নিহত 🔴 ১৭ বছর পর নবগঙ্গায় নৌকাবাইচ, নদীর দুই পাড়ে মানুষের ঢল 🔴 ড. ইউনূসের প্রতিষ্ঠিত গ্রামীণ কল্যাণকে ৬৬৬ কোটি টাকা কর দিতে হাইকোর্টের নির্দেশ 🔴 আট বছরের আক্ষেপ ঘুচিয়ে মাগুরা মেডিকেল কলেজে সম্ভবনা 🔴 হরমুজে ইরানের বড় হামলা, ১০ জাহাজে আঘাতের পর বাড়ছে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা 🔴 বর্জ্য থেকেই বিদ্যুৎ, কার্বন ক্রেডিটে নতুন সম্ভাবনা বাংলাদেশের 🔴 টিকার ঘাটতিতে বাংলাদেশে ভয়াবহ হাম প্রাদুর্ভাব, ৬ মাসে মৃত্যু ১ হাজারের বেশি 🔴 মহাখালীতে পরিত্যক্ত সাততলা ভবনে আগুন, ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ৩ ইউনিট 🔴 রাত পোহালেই এসএসসি পুনঃনিরীক্ষণের ফল 🔴 কৃষকদের জন্য সৌরপাম্পের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর 🔴 দূরদেশে থাকা ছেলের প্রতি বাবার হৃদয়ছোঁয়া খোলা চিঠি 🔴 ৪৫ লাখ নিরক্ষরকে দক্ষ করার মহাপরিকল্পনা 🔴 লোডশেডিং নিয়ে সরকারের নতুন আশ্বাস 🔴 এক বছরের কাজ সাত বছরেও শেষ হয়নি 🔴 সচিবালয়ে বিশাল ফাইলজট 🔴 চার দশক পর আবারও জাতিসংঘের শীর্ষ দায়িত্বে বাংলাদেশ 🔴 প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের নতুন করে আলোচনার প্রয়োজন নেই: ভারতীয় হাইকমিশনার 🔴 সাবেক আমলা-মন্ত্রী ও ব্যবসায়ীদের ঘিরে দুদকের বড় অভিযান 🔴 নিরবচ্ছিন্ন গ্যাস বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে অগ্রাধিকারভিত্তিক বরাদ্দ ও জাতীয় টাস্কফোর্স গঠনের পরামর্শ 🔴 সরকার ধর্মীয় উপাসনালয়ের কর্মীদের সম্মানী ভাতা দিচ্ছে 🔴 সংঘাতের রাজনীতি ছেড়ে সহনশীলতার পথে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির 🔴 হরমুজের বাইরে ইরানের নতুন ‘বর্জন অঞ্চল’ ঘোষণা 🔴 রাজধানীতে রাতভর পুলিশের অভিযান 🔴 রিজার্ভ ৩৬.৩৮ বিলিয়ন ডলার, পাঁচ মাসের আমদানি ব্যয় মেটানো সম্ভব 🔴 প্রায় ৪ কোটি টাকা খরচ, ছয় বছরেও তালা 🔴 পাকিস্তানে ৪০% শিশু অপুষ্টির শিকার 🔴 মালয়েশিয়ায় কাগজপত্রহীন বাংলাদেশিদের দেশে ফেরার সুযোগ 🔴 মুকসুদপুরে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনা: নিহত ৩, আহত ১৫ 🔴 দূষণমুক্ত নদী ও বাসযোগ্য ঢাকা গড়তে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ 🔴 বৃষ্টি-অন্ধকারেও ঠাকুরগাঁওবাসীর উচ্ছ্বাস, ‘ঘরের ছেলে’ মির্জা ফখরুলকে ঘিরে নানা আয়োজন 🔴 জমি বিক্রির ৫ লাখ টাকা নিয়ে বাসে উঠেন ইসমাইল 🔴 রাষ্ট্রায়ত্ত ৬ ব্যাংকে খেলাপি ঋণ ১ লাখ ৪৭ হাজার কোটি টাকা 🔴 অরণ্য নিউজ এর হেড অব নিউজ হিসেবে নিয়োগ পেলেন সাংবাদিক রূপক আইচ 🔴 দক্ষিণ লেবাননে ফের ইসরায়েলি হামলা 🔴 ‘আমার সন্তান কোথায়?’ শীর্ষক সংবাদ সম্মেলন ৬ সেপ্টেম্বর 🔴 শিবির-সমর্থকদের বিরুদ্ধে ঢাবি শিক্ষিকার ‘হয়রানির’ অভিযোগ 🔴 ইরানের তিন তেলবাহী জাহাজে মার্কিন হামলা 🔴 কানাডায় আজীবন সম্মাননায় ভূষিত হলেন বাঙ্গালী যাদুশিল্পী জুয়েল আইচ 🔴 বিএনপি-এনসিপি নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ, আহত ৫ 🔴 এই সময় দীর্ঘ হবে না’ 🔴 বিদ্যুৎ-জ্বালানি সংকটের জন্য দুঃখ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর 🔴 ডেঙ্গুতে মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছেই 🔴 চিঠির বদলে এবার ডাকযোগে যাচ্ছে ফ্রিজ-মোটরসাইকেল 🔴 সামরিক ও নৌ স্থাপনা পরিদর্শনে সৌদি আরব গেলেন নৌবাহিনী প্রধান 🔴 সারা জীবন গানে মাতিয়ে রেখেছেন তিনি 🔴 গার্মেন্টসের বাইরে পাটপণ্যে জোর, জ্বালানি আনতে আফ্রিকা 🔴 বিয়ের আনন্দযাত্রা মুহূর্তেই রণক্ষেত্র 🔴 লংমার্চে বাধা দিলে ছয় দফা এক দফায় পরিণত হবে: শফিকুর রহমান 🔴 ঢাকায় ১১ দলীয় ঐক্যের লংমার্চ, যাতায়াতে বাড়তে পারে ভোগান্তি 🔴 জিরো পয়েন্ট-সদরঘাট সড়কে বসতে পারবেন না হকার: ডিএসসিসি প্রশাসক 🔴 বুলবুল আহমেদের পুরস্কার-সম্মাননা সংরক্ষণে পরিবারের উদ্যোগ 🔴 দুই বাংলার হৃদয়ে আজও অমর মহানায়ক উত্তম কুমার 🔴 নাশকতার আশঙ্কায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা 🔴 উল্টোপথে মন্ত্রীর গাড়ি, ট্রাফিক পুলিশের দুই মামলা 🔴 তিন বছরে বন্ধ ৪ শতাধিক গার্মেন্টস কারখানা 🔴 ‘ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব নাগরিকের অধিকার সমান’: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান 🔴 শাপলা চত্বর মামলা: ইনু-দীপু মনি-লতিফ সিদ্দিকীসহ ১১ আসামি ট্রাইব্যুনালে 🔴 শাপলা চত্বর মামলা: শেখ হাসিনাসহ পলাতক ৩০ আসামিকে আত্মসমর্পণের নির্দেশ 🔴 আউটসোর্সিং সেবা নবায়নে নতুন সিদ্ধান্ত, কমল প্রশাসনিক জটিলতা 🔴 রেঞ্জ রোভারের প্রথম বৈদ্যুতিক গাড়ি, দাম প্রায় আড়াই কোটি টাকা 🔴 ৪ হাজার ৫৯৭ কোটি থেকে ১৬ হাজার কোটি, সায়েদাবাদ প্রকল্পের ব্যয় বৃদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন 🔴 স্বর্ণের দামে বড় উল্লম্ফন, ভরিতে বাড়ল ৫ হাজার ৪৮২ টাকা 🔴 ঝুঁকিতে সংসদ ভবনের কোটি টাকার যন্ত্রপাতি 🔴 ঢাকার সড়কে ৩০০ কেজির যান, ব্রেক মাত্র ৩০ টাকার 🔴 জ্বালানি সংকট থেকে দেশকে বের করে আনতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী 🔴 আসিফ মাহমুদসহ চারজনের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে দুদক 🔴 ২৩ বছর পর মাগুরা জেলা বণিক সমিতির নির্বাচন, তফসিল ঘোষণা 🔴 মাদারীপুরে ইমামের কক্ষে হাতবোমা বিস্ফোরণ, উড়ে গেছে টিনের বেড়া 🔴 স্বামী দু’বছর ধরে শিকলবন্দী; অনাহারে দিন কাটছে পাঁচ সদস্যের পরিবারের 🔴 দেশে আবারও কমল স্বর্ণের দাম, ভরিতে কমেছে ৪ হাজার ২৩ টাকা 🔴 চিকিৎসা শেষে আজ দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস 🔴 লিবিয়া থেকে দেশে ফিরলেন আরও ১৭৪ বাংলাদেশি 🔴 সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য মাউশির জরুরি নির্দেশনা 🔴 শরিয়ত ও সাংবিধানিক অধিকার রক্ষায় ভারতজুড়ে আন্দোলনের ঘোষণা মুসলিম ল বোর্ডের 🔴 তিন মাস পর খুলেছে সুন্দরবন, যাওয়ার আগে জেনে নিন ১২ জরুরি তথ্য 🔴 হাজার ছুতে চলেছে হাম ও হামের উপসর্গে শিশুমৃত্যু 🔴 জিয়া হত্যার নতুন তথ্য মিলল ৪৫ বছর পর 🔴 নেপালে টানেলে আটকে শতাধিক জলবিদ্যুৎকর্মী 🔴 শিগগিরই কমবে লোডশেডিং- ডা. জাহিদ 🔴 পাকিস্তানের সঙ্গে পানি বণ্টন চুক্তি মানতে হবে ভারতকে: আদালত 🔴 প্রথমবার খালেদা জিয়া বিহীন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী 🔴 বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী: জিয়া ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা 🔴 ক্রেতাদের জন্য সুখবর, কমেছে স্বর্ণের দাম 🔴 শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় প্রধান আসামীর মৃত্যুদণ্ড হাইকোর্টে বহাল : পরিবারের সন্তোষ প্রকাশ 🔴 সেপ্টেম্বর মাসের জ্বালানি তেলের দাম ঘোষণা 🔴 গ্রেপ্তারকৃত সিদ্ধার্থ ও মুগ্ধ দাসের ডোপ টেস্টে মাদকের অস্তিত্ব নেই 🔴 চোরাচালান-মাদক ও সীমান্ত হত্যা বন্ধে বিজিবিকে আরও কার্যকর হওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির 🔴 স্কুল-কলেজে মোবাইল নিয়ে ঢুকতে পারবে না শিক্ষার্থীরা 🔴 শিশু আছিয়া ধর্ষণ-হত্যা: হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড বহাল 🔴 পুলিশের সামনেই নারীকে লাথি, সারাদেশে তোলপাড় 🔴 নবম পে-স্কেলের চূড়ান্ত প্রস্তাব আজ মন্ত্রিসভায় 🔴 শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা:রায় আজ 🔴 প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে এখনই কী করা দরকার 🔴 সাড়ে পাঁচ মাস পর দেশে ফিরছেন মির্জা আব্বাস 🔴 পুলিশ সদস্যকে চড় মারার ঘটনায় সাবেক ছাত্রদল নেতা নয়ন গ্রেপ্তার 🔴 ছিনতাইকারীর কবলে নিহত প্রধান শিক্ষককের মৃত্যুতে প্যারা পণির গ্রেফতার 🔴 ছিনতাইকারীর কবলে নিহত প্রধান শিক্ষককের মৃত্যুতে প্যারা পণির গ্রেফতার 🔴 মাগুরায় পুলিশ সদস্যকে চড়-থাপ্পড়ের ঘটনায় সেই সাবেক ছাত্রদল নেতা গ্রেপ্তার 🔴 স্বাধীন দেশে থাকবে না কোন আয়নাঘর- রাষ্ট্রপতি 🔴 দৈনিক রানারের সম্পাদক আর এম সাইফুল আলম মুকুল এর ২৮তম মৃত্যু বার্ষিকী 🔴 মাগুরা জার্নালিস্ট ফোরাম ঢাকার আত্মপ্রকাশ 🔴 যুবদল নেতার ওপর হামলার প্রতিবাদে শিবচরে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ 🔴 পুশ-ইন ও সার পাচার ঠেকাতে সীমান্তবাসীকে বিজিবির সতর্ক থাকার আহ্বান 🔴 বিদেশি উদ্ধার সহায়তা আপাতত না বলল নেপাল, কেন এই সিদ্ধান্ত? 🔴 নেপালকে চীনের সতর্কতা, যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে অস্থায়ী হ্রদের বাঁধ 🔴 ঢাকায় বাড়তে পারে গরম, রয়েছে বজ্রবৃষ্টির সম্ভাবনা 🔴 পনের মামলায় খালাস পেলেন জননেতা মির্জা আব্বাস 🔴 বিশ্ব বাজারে কমছে কি তেলের দাম? 🔴 পায়ুপথে কনডমে মিলল হেরোইন 🔴 ৫২০০ মিটার উচ্চতার হিমবাহ ধ্বসেই কি নেপালের এই ভয়াবহতা 🔴 এমপির চেয়েও অনির্বাচিত জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানের ক্ষমতা বেশি- সারজিস আলম 🔴 নেপাল ও তীব্বতে নিখোঁজ অন্তত ১৫শ 🔴 সরকার দলীয় সংসদ সদস্যদের বৈঠক চলেছে 🔴 আকস্মিক বন্যা-ভূমিধসে নেপালের প্রাণহানিতে প্রধানমন্ত্রীর শোক 🔴 বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ছিলেন সব আন্দোলনের অনুপ্রেরণা- বিজভী 🔴 নেপালের ভয়াবহ বন্যা-ভূমিধস: অলৌকিকভাবে বেঁচে গেল ১১ বছরের রিহানা 🔴 গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট ও দলীয় নিয়োগ ইস্যুতে উত্তাপের আভাস, বিকেলে বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন 🔴 বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে ৫ দিনের কর্মসূচিতে যা যা থাকছে 🔴 ২ সেপ্টেম্বর থেকে ঢাকায় চালু হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার ভিসা সেন্টার 🔴 মানদণ্ডে ব্যর্থ ১০ পণ্য, বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ বিএসটিআইয়ের 🔴 শিক্ষা ও গবেষণায় বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক আরও গভীর করার আহ্বান :মাহদী আমিন 🔴 প্রাথমিকে রান্না করা মিড ডে মিল আসছে দ্রুতই-ববি হাজ্জাজ 🔴 গোয়েন্দাদের সতর্কতার পরও কার কথায় ইরান যুদ্ধে ট্রাম্প 🔴 হাসপাতালে আগুন লেগে ১৫শিশুর মৃত্যু 🔴 নেপথ্যে কি অন্তর্ঘাতের শংকা 🔴 রংপুরের চার খুনের ঘটনায় দ্রুততম সময়ে জড়িতরা গ্রেফতার হয়েছে -স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী 🔴 ঢাকায় যাত্রাবিরতিতে ভুটানের রাজা, বিমানবন্দরে রাষ্ট্রপতির সৌজন্য সাক্ষাৎ 🔴 দেশজুড়ে নানা আয়োজন 🔴 চার হত্যা মামলা কোতোয়ালী থেকে গোয়েন্দা পুলিশের হাতে 🔴 রাষ্ট্রপতির সাথে সৌজন্য স্বাক্ষাত করলেন তিন বাহিনীর প্রধান 🔴 ফাঁসি ছাড়া কিছু্ই মানব না : নিজ বাড়িতে মা আয়েশা বেগম 🔴 নয় বছরেও ঝুলে আছে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন 🔴 সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের বাধাবিঘ্ন হোক- এমন মানসিকতা সরকারের নেই 🔴 বরগুনা উপকূলে বঙ্গপোসাগরের ট্রলারডুবি; ৫ জেলের লাশ উদ্ধার 🔴 শেখ হাসিনাসহ ৭ জনকে আত্মসমর্পণে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তির নির্দেশ 🔴 প্রধানমন্ত্রীর ত্বরিত পদক্ষেপে দ্রুত কমবে লোডশেডিং 🔴 চলতি অর্থবছরেই পাঁচ ধরনের স্থানীয় সরকার নির্বাচন: প্রতিমন্ত্রী 🔴 বাগেরহাটে ৫৯ চোরাই মোবাইলসহ আটক ৪ 🔴 মেজর জেনারেল (অব.) চিত্তরঞ্জন দত্ত বীর উত্তমের মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা 🔴 আলোচিত শিশু আছিয়া হত্যা ও ধর্ষণ মামলার রায় পিছিয়েছে 🔴 লক্ষ্মীপুরে সেনাবাহিনীর পরিচয়ে চাঁদাবাজির অভিযোগ, গ্রেপ্তার-০২ 🔴 ডিভোর্সের পর কীটনাশক পানে যুবকের মৃত্যু 🔴 মাগুরার শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হাইকোর্টের রায় আজ 🔴 চুয়াডাঙ্গায় আবহাওয়া পরিবর্তনে বাড়ছে শিশু রোগী ২২ শয্যায় ভর্তি ৭০ জন 🔴 যাত্রাবাড়ীতে চার বিদেশি পিস্তল-১২ রাউন্ড গুলিসহ গ্রেপ্তার ৬ 🔴 রংপুরে শিক্ষক গণপতিসহ পরিবারের চারজনকে হত্যা, পুলিশের ব্যাখ্যায় উঠছে নানা প্রশ্ন 🔴 কিশোরগঞ্জে যুবলীগ নেতা সৈকতকে কুপিয়ে হত্যা 🔴 টাঙ্গাইলে ভয়াবহ আগুনে পুড়ল ৬ দোকান, ক্ষতি সাড়ে ১৬ লাখ টাকা 🔴 শালিসে বহিরাগত আনার অভিযোগে পরিবারকে ‘একঘরে’, মসজিদে নামাজেও নিষেধাজ্ঞা 🔴 টেকনাফ সীমান্তে বিজিবির দুই অভিযানে সাড়ে ৪ লাখ ইয়াবা উদ্ধার 🔴 খালেদা জিয়ার সাজে হাজির চমক, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা 🔴 এক বছরের চুক্তিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশের চেয়ারম্যান আশিক মাহমুদ 🔴 পদোন্নতিতে রাজনৈতিক বিবেচনা নয়, দক্ষতা-সততায় গুরুত্ব দিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী 🔴 এক মাসের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষার নতুন নীতিমালা -ববি হাজ্জ্বাজ 🔴 অশ্রুসিক্ত বিদায়, সাংবাদিক দেবাশীষ ও পরিবারের চারজনের শেষকৃত্য-দাফন সম্পন্ন 🔴 রংপুরে একই পরিবারে চার খুনে গ্রেপ্তার ২, বেরিয়ে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য 🔴 রাষ্ট্রপতি হিসেবে বঙ্গভবনে প্রথম অফিস করলেন মির্জা ফখরুল 🔴 রংপুরে একই পরিবারের চার খুনের কারণ অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে পুলিশ ও একাধিক গোয়েন্দা সংস্থা 🔴 শিক্ষার্থীদের জন্য বিনামূল্যে জেমিনি প্রো ও ৪০০ জিবি স্টোরেজ দিচ্ছে গুগল 🔴 মির্জা ফখরুলের আসনে বিএনপির হাল ধরবেন কে-ভাই নাকি মেয়ে? 🔴 দুপুরের মধ্যে ঢাকায় বজ্রসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা 🔴 মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়ে সম্পর্ক জোরদারের বার্তা ইরানের 🔴 স্বর্ণের দামে বড় লাফ, ভরিতে বাড়ল ৫ হাজার ৪৮২ টাকা 🔴 মন্ত্রিসভায় নতুন মুখ, বদলেছে কয়েকটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব

পদ ছাড়াই নিয়োগ (!) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চাকরিতে তুঘলকি কান্ড

প্রতিবেদকঃ ডেস্ক রিপোর্ট
প্রকাশিতঃ ১০:৩২ এএম, ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পদ ছাড়াই নিয়োগ (!) কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চাকরিতে তুঘলকি কান্ড

এ যেন নিয়োগ প্রক্রিয়ার হরিরলুটের বাতাসা। যে যেখান থেকে পারে খুটে নেয়। ছিল না নিয়োগ প্রক্রিয়ার চূড়ান্তে বিজ্ঞপ্তি। নিয়মিত পদ নেই। অনেকের চাকরিতে প্রবেশের নির্ধারিত বয়সও পেরিয়ে গেছে। তবু চাকরি হয়েছে। প্রথমে দৈনিক মজুরিতে। এরপর বিশেষ পরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন অংশগ্রহণকারী সবাই। তারপর নতুন করে নিয়োগ। সবাইকে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে স্থায়ী নিয়োগ দেওয়া হয়েছে ক্যাশ বিভাগে। আর ধাপে ধাপে সেই কর্মচারীরা উঠে গেছেন প্রথম শ্রেণির সহকারী পরিচালক পদে। পদোন্নতির সিঁড়ি ডিঙিয়ে এখন পেতে যাচ্ছেন উপপরিচালক পদ। সরকারি চাকরিবিধি অনুযায়ী উপপরিচালকের পদটি ষষ্ঠ গ্রেডের। আইন ও নিয়োগ বিধিবিধানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সবকিছুর পেছনে যুক্তি ছিল ‘মানবিকতা’। আর কেন্দ্রীয় ব্যাংকে চাকরি পাওয়ার পরই ভবিষ্যতে তদন্তের মুখে পড়ার আশঙ্কায় এসব কর্মকর্তা ব্যাংক থেকে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে নিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সূত্র ও দৈনিক কালবেলার অনুসন্ধানে এসব তথ্যপ্রমাণ মিলেছে।

নথিপত্র বিশ্লেষণ ও কালবেলার অনুসন্ধানে দেখা যায়, ২০১০ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন অফিসে প্রথমে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে ৩৬৬ জনকে মুদ্রা/নোট পরীক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। বিধির বাইরে গিয়ে নানা প্রক্রিয়া অবলম্বন করে তাদের চাকরিতে স্থায়ী করা হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের তৎকালীন গভর্নর আতিউর রহমানের সময় ‘মানবিক কারণ’ দেখিয়ে তাদের চাকরি স্থায়ী করা হয়। যে কারণে তিনি এ কর্মকর্তাদের কাছে মানবিক গভর্নর হিসেবে পরিচিতি পান। তবে ৫ আগস্ট ক্ষমতার পটপরিবর্তনের পর থেকে আতিউর রহমান পলাতক রয়েছেন। আতিউর রহমানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের রিজার্ভ চুরির মামলায় সিআইডি তদন্ত করছে।

‘মানবিক’ বিবেচনায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকে নিয়োগ: অনুসন্ধানে জানা গেছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন অফিসে মুদ্রা/নোট পরীক্ষক পদে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে ৩৬৬ জনকে প্রথমে নিয়োগ দেওয়া হয়। তাদের কাজ ছিল বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন অফিসের ক্যাশ বিভাগে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত ছেঁড়া, ময়লা, ত্রুটিযুক্ত নোট গণনা ও বাছাই করা। পরে তারা তাদের চাকরি স্থায়ী করার আবেদন করেন।

২০১৪ ও ২০১৫ সালে কোনো পদ ছাড়াই ৩৬৫ জনকে স্থায়ীকরণ করা হয়। প্রথমে চার দফায় ২৩২ জনকে স্থায়ী করা হয়। এরপর ২০১৪ সালে ২৩২ জনের রেফারেন্স দিয়ে ২০১৫ সালে বাকি ১৩৩ জনকে স্থায়ী করা হয়। এখানে ‘একান্ত মানবিক কারণ’ দেখিয়ে চাকরিতে নিয়মিত করার সিদ্ধান্ত নেয় পরিচালনা পর্ষদ।

তবে একই বোর্ড মিটিংয়ে এ কর্মচারীদের দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে শুরুতেই যে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, সেটি অবৈধ বলে ঘোষণা করা হয়। নিয়ম না মেনে এ কর্মচারীদের নিয়োগ দেওয়ায় সে সময়কার দায়িত্বপ্রাপ্ত সাতজন কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলে বোর্ডসভা।


সভায় সিদ্ধান্ত হয়, ‘সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী কোটা অনুসরণ না করে লোক নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় সংশ্লিষ্ট মহাব্যবস্থাপকদের বিরুদ্ধে যথোচিত ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দেওয়া হয়।’


বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৩৬১তম সভায় বলা হয়, বাংলাদেশ ব্যাংকের বিভিন্ন অফিসের ক্যাশ বিভাগে বাণিজ্যিক ব্যাংক থেকে আসা ছেঁড়া, ময়লা ও ত্রুটিযুক্ত বিপুল পরিমাণ নোট গণনা ও বাছাইয়ের অপেক্ষায় ভল্টে জমা থাকত। প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাবে এ কাজ বকেয়া পড়ে যায়। ব্যাংকের ক্যাশে বিপুল পরিমাণ নোট জমা পড়ে যায়। এ সমস্যা দ্রুত সমাধানের জন্য দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে মুদ্রা/নোট পরীক্ষক-দ্বিতীয় মান পদে লোক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়। এর ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন শাখা অফিস পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। বিজ্ঞপ্তির ভিত্তিতে পাওয়া আবেদন যাচাই-বাছাইয়ের পর মৌখিক পরীক্ষার মাধ্যমে প্রার্থী নির্বাচন করা হয়। এরপর ২০১০ সালের ৮ আগস্ট থেকে ২০১২ সালের ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত বিভিন্ন সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসসহ অন্যান্য অফিসে মোট ৩৬৬ জনকে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে মুদ্রা/নোট পরীক্ষক-দ্বিতীয় মান পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। চাকরিতে যোগ দেওয়ার পর এসব কর্মী চাকরি নিয়মিত করার জন্য বারবার আবেদন করেন। বিষয়টি বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের ৩৪৬তম সভায় উপস্থাপন করা হয়। ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয়, বিভিন্ন অফিসে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে কর্মরত ৩৬৬ জন মুদ্রা/নোট পরীক্ষককে চাকরিতে আবেদনের বয়স শিথিল করে বিশেষ পরীক্ষা নেওয়া হবে। হিউম্যান রিসোর্সেস ডিপার্টমেন্ট-১-এর মাধ্যমে ওই পরীক্ষা নেওয়ার পর উত্তীর্ণ প্রার্থীদের জেলা কোটা, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ও অন্যান্য কোটায় নিয়োগ দেওয়া যেতে পারে। নতুন নিয়োগের তারিখ থেকে তারা ব্যাংকের বিদ্যমান বেতন-ভাতা, চিকিৎসা ও অবসরকালীন সুবিধা পাবেন বলেও সিদ্ধান্তে উল্লেখ করা হয়।

পর্ষদের ওই সিদ্ধান্তের পর ২০১৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ব্যাংক ম্যানেজমেন্টের (বিআইবিএম) মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। নথি অনুযায়ী, এতে ৩৬৫ জন অংশ নেন এবং সবাই উত্তীর্ণ হন। এরপর গভর্নরের অনুমোদনক্রমে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, জেলা কোটা, মুক্তিযোদ্ধা কোটা ও অন্যান্য কোটা অনুসরণ করে চার ধাপে ২৩২ জনকে চাকরিতে নিয়মিত করা হয়। ২০১৪ সালের ২৮ আগস্ট, ১৬ অক্টোবর, ২৮ অক্টোবর এবং ২০১৫ সালের ৩০ মার্চ—এই চার তারিখে তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।

কিন্তু ৩৬৫ জনের মধ্যে ২৩২ জনের চাকরি নিয়মিত হওয়ার পরও ১৩৩ জন দৈনিক মজুরি ভিত্তিতেই থেকে যান। এ অবস্থায় তাদের চাকরি নিয়মিত করার পক্ষে ফের মানবিক যুক্তি তুলে ধরা হয়। নথিপত্র বিশ্লেষণে জানা যায়, অবশিষ্ট ১৩৩ জনকে নিয়মিত করার পক্ষে বাংলাদেশ ব্যাংকের পুরোনো একটি নজিরও সামনে আনা হয়। উপস্থাপন করা নথিতে বলা হয়, ১৯৯৮ ও ১৯৯৯ সালে বাংলাদেশ ব্যাংকের বগুড়া অফিসে বিপুলসংখ্যক নোট জমা হওয়ায় কাজ সম্পাদনের জন্য ১৬ জন মুদ্রা/নোট পরীক্ষক এবং ছয়জন ভল্ট পিয়নকে প্রাথমিকভাবে তিন মাসের জন্য সম্পূর্ণ অস্থায়ী দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। পরে কাজের পরিমাণ বাড়ায় বিভিন্ন সময়ে তাদের চাকরির মেয়াদ বাড়ানো হয়। এভাবে প্রায় আট বছর কাজ করার পর তাদের চাকরি নিয়মিত করার বিষয়টি পরিচালনা পর্ষদের ২৭৫তম সভায় ওঠে। ২০০৬ সালের ১ ফেব্রুয়ারির ওই সভায় সিদ্ধান্ত হয়, দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে নিয়োজিত মুদ্রা/নোট পরীক্ষক ও ভল্ট পিয়নরা পরীক্ষা দিয়ে নতুনভাবে নিয়োগ পাবেন। এই নজির সামনে রেখেই ২০১৫ সালে অবশিষ্ট ১৩৩ জনকে নিয়মিত করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এ ছাড়া ২০১৪ সালে নিয়োগ পাওয়া ২৩২ জনের যুক্তিও উপস্থাপন করা হয়।

অবশিষ্ট ১৩৩ জনকে ভবিষ্যতে জেলা কোটা ও অন্যান্য কোটা সমন্বয় সাপেক্ষে শূন্য পদের বিপরীতে নিয়োগ দেওয়া যাবে কি না—এ বিষয়ে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলমের মতামতও নেওয়া হয়।

তার মতামতে ১৯৯৭ সালের সংস্থাপন মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার বিভিন্ন কোটা উল্লেখ করে বলা হয়, এসব ব্যক্তিকে উল্লিখিত কোটাগুলোর কোনো একটির সঙ্গে সমন্বয় করা সম্ভব কি না, তা বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বিবেচনা করতে পারে বলে তিনি মতামত দেন। তবে নিয়োগের ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই আইনজীবীর মতামত নিলেও সেটিও মানেনি।

এরপর ২০১৫ সালের ২১ জুন বিষয়টি পরিচালনা পর্ষদের ৩৬১তম সভায় বলা হয়, সংশ্লিষ্ট মুদ্রা/নোট পরীক্ষকরা পরিচালনা পর্ষদের নির্দেশনা অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন এবং তাদের মধ্য থেকে ২৩২ জনকে ইতোমধ্যে নতুনভাবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এসব বিষয় বিবেচনায় অবশিষ্ট ১৩৩ জনকেও ভবিষ্যৎ কোটা সমন্বয় সাপেক্ষে নতুনভাবে নিয়োগ দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়। পরিচালনা পর্ষদ শেষ পর্যন্ত প্রস্তাবটি অনুমোদন করে। সিদ্ধান্তে বলা হয়, দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে নিয়োজিত ১৩৩ জন মুদ্রা/নোট পরীক্ষককে একান্ত মানবিক কারণে ভবিষ্যৎ কোটা সমন্বয় সাপেক্ষে চাকরিতে নিয়োগ দেওয়া হবে। নতুন নিয়োগের তারিখ থেকে তারা ব্যাংকের বিদ্যমান বেতন-ভাতা, চিকিৎসা ও অবসরকালীন সুবিধা পাবেন। তবে গত ১০ বছরের বেশি সময় পার হলেও সেই কোটা এখনো সমন্বয় করা হয়নি। এ ছাড়াও একই সভায় এই কর্মকর্তাদের প্রাথমিক নিয়োগকে অবৈধ ও আইনবহির্ভূত বলে পর্ষদ। নিয়োগের সঙ্গে জড়িত সংশ্লিষ্ট মহাব্যবস্থাপকদের বিরুদ্ধে যথোচিত ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেওয়া হয় সভায়। অর্থাৎ, সভায় যেই কর্মকর্তাদের প্রাথমিক নিয়োগকেই অবৈধ বলা হয় সেই কর্মকর্তাদেরই আবার স্থায়ী করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যা বিপরীতমুখী।

জানা গেছে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ৩৬১তম বোর্ড সভায় এসব বিধিবহির্ভূত নিয়োগের সঙ্গে জড়িত ৭ জন কর্মকর্তাকে চিহ্নিত করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও বলা হয়। এসব কর্মকর্তার মধ্যে আছেন— বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. মিজানুর রহমান জোদ্দার, খুলনা অফিসের মহাব্যবস্থাপক এ কে এম ফজলুর রহমান, বরিশাল অফিসের মো. গোলাম মোস্তফা, সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. নওশাদ আলী চৌধুরী, নির্বাহী পরিচালক নির্মল চন্দ্র ভক্ত, সাবেক নির্বাহী পরিচালক মো. মজিবর রহমান, নির্বাহী পরিচালক জিন্নাতুল বাকেয়া, উপমহাব্যবস্থাপক নূর-উন-নাহার। এসব কর্মকর্তার সবাই অবসরে চলে গেছেন।

এ প্রসঙ্গে খুলনা অফিসের তৎকালীন জিএম এ কে এম ফজলুর রহমান কালবেলাকে বলেন, ‘তখন সব নিয়মকানুন মেনেই নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। তৎকালীন কর্তৃপক্ষ যেভাবে চেয়েছিল, সেভাবেই হয়েছে। এখানে আমার কোনো ব্যক্তিগত স্বার্থ ছিল না।’ তিনি আরও বলেন, ‘জড়িত থাকলে তো আমাদের ডাকত বা আমাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হতো; কিন্তু কিছুই নেওয়া হয়নি। এ ছাড়া খুলনা অফিস নিয়োগ দিয়েছে সবার পড়ে।’

কোটার দোহাই দিলেও মানা হয়নি কোটা: নথিপত্র বিশ্লেষণে দেখা গেছে, বিভিন্ন অফিসে দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে মুদ্রা/নোট পরীক্ষক নিয়োগের সময় কোটা-সংক্রান্ত নীতিমালা অনুসরণ করা হয়নি। কোথাও জেলা কোটা অনুসরণ করা হয়নি, আবার প্রধান কার্যালয়ে সংরক্ষিত জেলা কোটার তথ্যও নেওয়া হয়নি বলে নথিতে উল্লেখ রয়েছে। এসব কারণে ৭ মহাব্যবস্থাপকের ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনাও দেয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ। তথ্য বলছে, জেলা কোটায় ৩০ শতাংশ প্রার্থী নিয়োগ দেওয়ার বিধান-সংবলিত একটি মতামত দেন সিনিয়র অ্যাডভোকেট মাহবুবে আলম। সে হিসেবে ৩৬৫ জনকে কোটায় নিয়োগ দিতে হলে ১২১৬টি পদ থাকতে হবে। ১২১৬টি পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলে তার পরিপ্রেক্ষিতে ৩৬৫ জনকে বৈধভাবে কোটায় নিয়োগ দেওয়া বিধিসম্মত হবে। বিন্তু বাংলাদেশ ব্যাংকের এই নিয়োগে কোনো পদ ছাড়াই ৩৬৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয় যা বিধিবহির্ভূত। অন্যদিকে, ৩৬৫ জনকে নিয়োগ দিলে তার ৩০ শতাংশ কোটায় নিয়োগ দেওয়া যাবে। তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এই বিধানও মানেনি। আইন অনুযায়ী, ১২১৬ জনকে নিয়োগ দিলে সেখানে ৩৬৫ জনকে নিয়োগ দেওয়া যাবে জেলা কোটায়।

তবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক ৩৬৫ জনকে নিয়োগ দিয়েছে পরে সমন্বয়ের কথা বলে। সে হিসেবে ৩৬৫ জন নিয়োগ দিলে ঢাকায় ৬ দশমিক ৯৬ হারে সর্বোচ্চ ২৫ জন নিয়োগ দেওয়া যায়। যদিও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নিয়োগ আইনসম্মত নয়, তবু নিজেদের ইচ্ছেমতো বানানো এই বিধানও মানা হয়নি। ঢাকা থেকেই নিয়োগ দেওয়া হয় ৩১ জনকে। একইভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সে সময়কার কর্মকর্তাদের নিজেদের বানানো আইনে জামালপুর থেকে সর্বোচ্চ ৬ জন নিয়োগ দেওয়ার কথা থাকলেও দেওয়া হয়েছে ১১ জনকে। বগুড়া থেকে ৮ জনের হিসাব মিললেও নিয়োগ দেওয়া হয় ২৫ জনকে। রাজশাহী থেকে বানানো কোটার হিসাবে ৬ জন হলেও নিয়োগ দেওয়া হয় ২৮ জনকে। খুলনায় ৬ জন হলেও নিয়োগ দেওয়া হয় ২৪ জনকে। বরিশাল থেকে ৬ জন হলেও নিয়োগ দেওয়া হয় ২০ জনকে। এভাবেই ইচ্ছামতো নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এক পরীক্ষায় সবাই পাস : নিজেদের বানানো নিয়মনীতিতে নিয়োগ দিতে ২০১৪ সালের ২২ ফেব্রুয়ারি বিআইবিএমের মাধ্যমে লিখিত পরীক্ষা নেওয়া হয়। ৩৬৫ জন পরীক্ষায় অংশ নেন এবং সবাই উত্তীর্ণ হন। এরপর ধাপে ধাপে এই কর্মচারীদের দেওয়া হয় নিয়োগ। তবে এসব কর্মকর্তা শুধু চাকরি নিয়মিত হয়েই থেমে থাকেনি। দৈনিক মজুরি ভিত্তিতে তৃতীয় শ্রেণির কর্মচারী হিসেবে যাদের যাত্রা শুরু, তারা পরবর্তীতে ৩ ধাপে পদোন্নতি পেয়ে বনে যান প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা, হয়েছেন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহকারী পরিচালক। বর্তমানে রয়েছেন ৬ষ্ঠ গ্রেডের উপপরিচালক হিসেবে পদোন্নতির দৌড়ে। একটি অনিয়মিত বা বিশেষ প্রক্রিয়ায় পাওয়া চাকরি পরবর্তী সময়ে যদি নিয়মিত ক্যারিয়ার ট্র্যাকে ঢুকে যায়, তাহলে তার প্রভাব শুধু নিয়োগের সময়টুকুতে সীমাবদ্ধ থাকে না। বেতন, পদোন্নতি, ঋণ, অবসর সুবিধা—সবকিছুর ওপর তার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়ে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আরও একজন কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেন, ‘এগুলো নজিরবিহীন ঘটনা। ৩৬৫ জন পরীক্ষা দিয়েই সবাই পাস। এতে বুঝা যায় এখানে কী ধরনের পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। সেই কর্মচারীরা আবার পদোন্নতি পেয়ে এখন প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তা হয়ে গেছেন। তারা হয়ত শিগগির পদোন্নতি পেয়ে উপপরিচালকও হয়ে যাবেন।’

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলেছে, চাকরি পাওয়ার পরেই এসব কর্মকর্তা ভবিষ্যতে তদন্তের মুখে পড়ার আশঙ্কা করেছেন। তদন্তে হলে চাকরি হারাতে পারেন এসব কর্মকর্তারা— এ আশঙ্কা থেকে তারা যোগদানের পরপরই বিপুল পরিমাণ অর্থ ঋণ নিয়ে নেন। পরে সহকারী পরিচালক হিসেবে পদোন্নতির পরে সেই ঋণ সমন্বয় করেন ১ কোটি ২০ লাখ টাকা করে প্রায় সবাই। এ ছাড়া গাড়ি কেনার জন্য কার ঋণ ৩০ লাখ টাকাও নিয়েছেন অনেকেই। সে হিসেবে এসব কর্মকর্তা প্রত্যেকেই ১ কোটি ২০ লাখ থেকে প্রায় দেড়কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিয়েছেন। গড়ে ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা করে ঋণ ধরলেও প্রায় ৪৯২ কোটি ৭৫ লাখ টাকা এসব কর্মকর্তাদের কাছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পাওনা।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংকের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেন, ‘এ ধরনের নিয়োগ সম্পূর্ণ অবৈধ। তৎকালীন মানবিক গভর্নর হিসেবে পরিচিতি পাওয়া আতিউর রহমান নিজের ইচ্ছে ও খেয়ালখুশিমতো নিয়োগ দিয়েছেন। এসব নিয়োগের মাধ্যমে একটি রাজনৈতিক দলের অনুসারী কর্মীদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে ঢোকানো হয়েছে। এই নিয়োগের ফলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে অনেক অযোগ্য লোক ঢুকে পড়েছে। এ ছাড়া এই কর্মচারীদের উন্মুক্ত বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিয়োগ পাওয়া প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার উপরে সিনিয়রিটি দেওয়া হয়েছে, যা নজিরবিহীন ঘটনা।’

আরও এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ওই কর্মকর্তারাও বুঝেছেন তাদের নিয়োগ বিধিসম্মত নয়। যে কারণে তারা চাকরি পাওয়ার পরপরই বিপুল অর্থের ঋণ নিয়ে নিয়েছেন। এত মোটা অঙ্কের ঋণ বাকি রেখে এখন কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষে এই কর্মকর্তাদের ছাঁটাই করাও কঠিন। এই কর্মকর্তাদের কাছে ব্যাংক এক প্রকার জিম্মি।’

জানতে চাইলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যমসারির একজন কর্মকর্তা কালবেলাকে বলেন, ‘বিধিবহির্ভূতভাবে নিয়োগ ও প্রমোশন দেওয়ার ফলে ক্যাশের এই কর্মকর্তারা আজ যে পদ আঁকড়ে আছেন, সে পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে সরাসরি নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হতো। ফলে দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা সরকারি চাকরি থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং অযোগ্যদের কেন্দ্রীয় ব্যাংকে সরকারি চাকরি প্রদান করে দেশের অর্থনীতিকে ঝুঁকিতে ফেলা হয়েছে। ফলে সংবিধানের ২৭ ও ২৯ নম্বর অনুচ্ছেদের ব্যত্যয় ঘটেছে।’

৩ থেকে ৫ লাখ টাকার অভিযোগের অনুসন্ধান কোথায়?

এই নিয়োগকে ঘিরে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকার বিনিময়ে চাকরি পাওয়ার অভিযোগও রয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একাধিক কর্মকর্তা কালবেলাকে জানিয়েছেন, নিয়োগ পাওয়া ৩৬৫ জন কর্মচারীর সবাই সেসময়কার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বিভিন্ন কর্মকর্তাদের আত্মীয়-স্বজন বা প্রতিবেশী। এ ছাড়া রাজনৈতিক বিবেচনায় নিয়োগ দেওয়া হয় অনেককে। পরবর্তী সময়ে তাদেরকে সব আইন পাস কাটিয়ে বৈধতা দেওয়ার জন্য নামমাত্র পরীক্ষা নেওয়া হয়। একাধিক কর্মকর্তা বলেছেন, সেসময় এই নিয়োগকে ঘিরে মোটা অঙ্কের বাণিজ্যের অভিযোগ ওঠে। এসব কর্মচারীদের নিয়োগ স্থায়ী করতে প্রত্যেকের কাছ থেকে ৩ থেকে ৫ লাখ টাকা করে নেওয়ারও অভিযোগ পাওয়া গিয়েছিল।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী শাহ নাভিলা কাশফি কালবেলাকে বলেন, ‘বাংলাদেশের সংবিধানের ২৭ অনুচ্ছেদে আইনের দৃষ্টিতে সমতা এবং ২৯ অনুচ্ছেদে প্রজাতন্ত্রের কর্মে নিয়োগ লাভের ক্ষেত্রে সুযোগের সমতা নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের ২০১৪-১৫ সালের নিয়োগে অনুমোদিত পদ, প্রযোজ্য নিয়োগবিধি ও কোটা নীতি অনুসরণ না করা হয়ে থাকলে, তা আইনগতভাবে প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। বাংলাদেশ ব্যাংক স্টাফ রেগুলেশনস, ২০০৩ অনুযায়ী নিয়োগ, বয়সসীমা শিথিলকরণ ও পদোন্নতির বৈধতা সংশ্লিষ্ট বিধি ও অনুমোদনের আলোকে যাচাই করতে হবে। বিশেষত, দৈনিক মজুরিভিত্তিক চাকরি থেকে নিয়মিতকরণ বা পদোন্নতির ক্ষেত্রে বিধিসম্মত অনুমোদন না থাকলে তা বৈধতার প্রশ্ন সৃষ্টি করবে। মানবিক বিবেচনা কোনোভাবেই আইন ও নিয়োগবিধির বিকল্প হতে পারে না। তবে চূড়ান্ত আইনগত সিদ্ধান্তের জন্য নিয়োগসংক্রান্ত নথি, বোর্ডের সিদ্ধান্ত ও সংশ্লিষ্ট প্রবিধান যাচাই করা অপরিহার্য।’

৩৬৫ জনের মধ্যে একজন মো. এরশাদুল হক। নিয়োগ-সংক্রান্ত চিঠিতে তার সিরিয়াল ১১৬ নম্বর। জানতে চাইলে এরশাদুল হক কালবেলাকে বলেন, ‘হ্যাঁ, আমাদের ডেপুটি ডিরেক্টর পদে প্রমোশন কালকের (রোববার) মধ্যে হয়ে যাবে।’ পরে তার নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুললে তিনি বলেন, ‘আপনি কে ভাই। কালবেলার কোথায় চাকরি করেন? কালবেলার অফিস কোথায়? আপনি এখন এগুলো নিয়ে প্রশ্ন করতেছেন কেন? আপনাকে কে করতে বলেছে, আপনি আমার নম্বর কই পাইলেন?’ এরপর তিনি বলেন, ‘এ বিষয়ে আমাদের ব্যাংক প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেন। তারা কীভাবে নিয়োগ দিয়েছে তারাই আপনাকে বলবে।’

বিস্তারিত জানতে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয় বাংলাদেশের বর্তমান গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমানের সঙ্গে। তবে তাকে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি। প্রশ্ন লিখে ম্যাসেজ পাঠালেও তিনি কোনো উত্তর দেননি। পরবর্তী সময়ে যোগাযোগ করা হয় বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খানের সঙ্গে। তিনি বিস্তারিত প্রশ্ন শুনে বলেন, ‘আমি তো এভাবে মন্তব্য করতে পারব না। আপনার প্রশ্নগুলো আমাকে হোয়াটসঅ্যাপে লিখে দিলে আমি সংশ্লিষ্ট শাখা থেকে বিস্তারিত শুনে আপনাকে বলতে পারব।’

পরে তাকে সুনির্দিষ্ট ৬টি প্রশ্ন লিখে ম্যাসেজ করা হয়। তবে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি কোনো উত্তর দেননি। এসব ব্যাপারে জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর আতিউর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।


সৌজন্যে: দৈনিক কালবেলা

চোর থেকে যেভাবে খুনি হলো তুহিন
চোর থেকে যেভাবে খুনি হলো তুহিন
'নিরাপত্তা জোরদারের মধ্যেই ঢাকায় বাসে আগুন, ককটেল বিস্ফোরণ'
'নিরাপত্তা জোরদারের মধ্যেই ঢাকায় বাসে আগুন, ককটেল ব…
সৌদি আরবকে সহায়তায় প্রস্তুত তুরস্ক
সৌদি আরবকে সহায়তায় প্রস্তুত তুরস্ক
৮দফা দাবীতে ১১ দলের লং মার্চ এগিয়ে যাচ্ছে রংপুর অভিমুখে
৮দফা দাবীতে ১১ দলের লং মার্চ এগিয়ে যাচ্ছে রংপুর অভি…
ইরানি ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিল করলো তুরস্ক
ইরানি ব্যাংকের লাইসেন্স বাতিল করলো তুরস্ক
বিভিন্ন দেশের একজন করে ক্রিকেটারের নাম বলেছেন অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ও ওয়ানডে অধিনায়ক।
বিভিন্ন দেশের একজন করে ক্রিকেটারের নাম বলেছেন অস্ট্রে…
বেঁচে থাকলে আজ ৫৫ তে পা দিতেন কিংবদন্তী নায়ক সালমান শাহ
বেঁচে থাকলে আজ ৫৫ তে পা দিতেন কিংবদন্তী নায়ক সালমা…
ধানমন্ডী আবাহনী মাঠকে সবার জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা
ধানমন্ডী আবাহনী মাঠকে সবার জন্য উন্মুক্ত ঘোষণা
আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাচ্ছে দুদক?
আসিফ মাহমুদের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা চাচ্ছে দুদক?
‘ফুললি ফান্ডেড’ বৃত্তি নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন
‘ফুললি ফান্ডেড’ বৃত্তি নিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন
প্রকাশ পাচ্ছে ইউনূস সরকারের লুটতন্ত্রের থলের বিড়াল
প্রকাশ পাচ্ছে ইউনূস সরকারের লুটতন্ত্রের থলের বিড়াল
আনিসুল হকের ১৭২ কোটি টাকার সম্পদ
আনিসুল হকের ১৭২ কোটি টাকার সম্পদ
‘কিং’ নিয়ে জল্পনার অবসান, মুক্তির তারিখ জানালেন শাহরুখ
‘কিং’ নিয়ে জল্পনার অবসান, মুক্তির তারিখ জানালেন শাহ…
সৌদি সরবরারে ঝুঁকির মধ্যেও কমল তেলের দাম
সৌদি সরবরারে ঝুঁকির মধ্যেও কমল তেলের দাম
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতেই কি ফিরছে পুরোনো সিন্ডিকেটের ছায়া?
মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার খুলতেই কি ফিরছে পুরোনো সিন্ডিক…
আরো পড়ুন »

অর্থনীতি এর আরো খবর:

ভিডিও

বক্তব্য দেওয়ার সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে মঞ্চে পড়ে গেলেন জামায়াত আমীর ডা. শফিকুর রহমান।

শিশু রামিসা হ/ত্যা ও ধ/র্ষ/ণের বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল।...