ক্রেতাদের জন্য সুখবর, কমেছে স্বর্ণের দাম
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ও রুপার দামের পরিবর্তনের প্রভাব পড়ছে বাংলাদেশের বাজারেও। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ যে দাম নির্ধারণ করেছে, সেই মূল্যেই আজ মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) দেশের বাজারে স্বর্ণ ও রুপার গহনা বিক্রি হচ্ছে।
বাজুসের নতুন নির্ধারিত দাম গত সোমবার (৩১ আগস্ট) সকাল ১০টা থেকে কার্যকর হয়েছে। এতে বিভিন্ন মানের স্বর্ণের দাম ভরিপ্রতি কমানো হয়েছে। নতুন মূল্য অনুযায়ী, ভ্যাটসহ ২২ ক্যারেটের এক ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৩৬ হাজার ২৫৪ টাকা। আগের দামের তুলনায় এ মানের স্বর্ণের ভরিতে দাম কমেছে ৪ হাজার ৪৭৪ টাকা।
এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৪ হাজার ১৪১ টাকা কমিয়ে নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ২৫ হাজার ৬৪০ টাকা। ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম কমেছে ৩ হাজার ৬১৬ টাকা। এখন এই মানের স্বর্ণের ভরি বিক্রি হচ্ছে ১ লাখ ৯৩ হাজার ৭৩৯ টাকা দরে। অন্যদিকে, সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৯১৬ টাকা কমানো হয়েছে। ফলে এ মানের স্বর্ণের নতুন দাম দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫৮ হাজার ২৮০ টাকা।
বাজুস নতুন কোনো মূল্য ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত দেশের বাজারে এসব নির্ধারিত দামেই স্বর্ণের গহনা বিক্রি হবে। তবে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দর, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের মূল্যসহ বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করে পরবর্তী সময়ে আবারও দাম পরিবর্তন করতে পারে সংগঠনটি।
কয়েক দফায় দাম বাড়া-কমা
সাম্প্রতিক সময়ে দেশের স্বর্ণের বাজারে বেশ কয়েক দফা মূল্য পরিবর্তন হয়েছে। এর আগে গত ২৯ আগস্ট ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৭ হাজার ১১৫ টাকা কমানো হয়েছিল। তার আগে ২০, ২২ ও ২৫ আগস্ট-এই তিন দফায় ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম মোট ১০ হাজার ৯৬৪ টাকা বাড়ানো হয়। পরবর্তী সময়ে দুই দফায় দাম কমানোর ফলে ওই মানের স্বর্ণের ভরিতে মোট ১১ হাজার ৪৮৯ টাকা কমেছে।
দাম ওঠানামার এই ধারাবাহিকতায় বর্তমানে দেশের স্বর্ণের বাজারে নিম্নমুখী প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। বাজুসের সর্বশেষ নির্ধারিত দামে আজ দেশের বিভিন্ন জুয়েলারি দোকানে ২২, ২১ ও ১৮ ক্যারেটের পাশাপাশি সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণালংকার বিক্রি হচ্ছে। একই সঙ্গে নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি হচ্ছে রুপার গহনাও।