মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়ে সম্পর্ক জোরদারের বার্তা ইরানের
বাংলাদেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে অভিনন্দন জানিয়েছেন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান। একই সঙ্গে দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও জোরদার এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা সম্প্রসারণের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তিনি।
শুক্রবার (২১ আগস্ট) বাংলাদেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই এক অভিনন্দন বার্তায় ইরানের প্রেসিডেন্ট এ প্রত্যাশার কথা জানান। ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনার বরাতে এ তথ্য জানা গেছে।
অভিনন্দন বার্তায় পেজেশকিয়ান বলেন, গণতন্ত্র সুসংহত করার ক্ষেত্রে মির্জা ফখরুলের অঙ্গীকার, দূরদর্শিতা ও অর্জনের প্রতি বাংলাদেশের আইনপ্রণেতাদের আস্থা দেশের মানুষের জন্য স্থিতিশীলতা, কল্যাণ ও উন্নয়নের নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলেছে।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে বিদ্যমান ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও গভীর করতে ইরান সরকার ও জনগণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের পাশাপাশি আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোরও আগ্রহ রয়েছে তেহরানের। বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি হিসেবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দায়িত্ব পালনে সাফল্য অর্জন করবেন এবং তার নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ শান্তি, সুখ ও সমৃদ্ধি লাভ করবে-এমন প্রত্যাশাও ব্যক্ত করেন ইরানের প্রেসিডেন্ট।
বিভিন্ন দেশের অভিনন্দন
নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও কূটনৈতিক মিশনের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে। ভারত, পাকিস্তান, চীন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও সুইজারল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশ বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার প্রত্যাশা জানিয়েছে।
ভারতের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু অভিনন্দন বার্তায় মির্জা ফখরুলের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, দীর্ঘ রাজনৈতিক ও জনজীবনের অভিজ্ঞতা বাংলাদেশের জনগণের কল্যাণে মির্জা ফখরুলকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনে সহায়তা করবে।
পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারিও বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। পাশাপাশি মির্জা ফখরুলকে পাকিস্তান সফরের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন তিনি।
চীনও উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছে বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতিকে। চীনের দূতাবাসের পক্ষ থেকে দেওয়া বার্তায় বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে বিদ্যমান ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে একসঙ্গে কাজ করার প্রস্তুতির কথা জানানো হয়েছে।
যুক্তরাজ্যের দূতাবাস মির্জা ফখরুলকে অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ফ্রান্সের দূতাবাসও অভিনন্দন জানিয়ে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় মির্জা ফখরুলের দীর্ঘ রাজনৈতিক ভূমিকার কথা উল্লেখ করেছে।
এ ছাড়া সুইজারল্যান্ডের দূতাবাসের পক্ষ থেকেও বাংলাদেশের নতুন রাষ্ট্রপতিকে অভিনন্দন জানানো হয়েছে।