United Arab Emirates আনুষ্ঠানিকভাবে OPEC ত্যাগ করায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে নতুন সমীকরণ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই সিদ্ধান্তে জোটটির তেলের দাম নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা দুর্বল হতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত United States-এর জন্য সুবিধাজনক হতে পারে।
যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান Center for a New American Security-এর বিশ্লেষক র্যাচেল জিয়েম্বা বলেন, সময়টি কিছুটা অপ্রত্যাশিত হলেও এ সিদ্ধান্তের পেছনে দীর্ঘদিনের প্রেক্ষাপট রয়েছে। বিশেষ করে উৎপাদন কোটায় অসন্তোষ এবং বাজারে সরবরাহ বাড়ানোর সীমাবদ্ধতা আমিরাতকে এই পথে নিয়ে গেছে।
বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্যের উত্তেজনা, বিশেষ করে Strait of Hormuz ঘিরে অস্থিরতার কারণে তেলের বাজারে চাপ তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আমিরাত অতিরিক্ত সরবরাহ দিয়ে বাজারে প্রভাব বাড়াতে চাইছে, যা দামের ওপর চাপ কমাতে পারে।
Peterson Institute for International Economics-এর বিশ্লেষকরা বলছেন, ওপেক দুর্বল হলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য তা ইতিবাচক, কারণ এই জোট দীর্ঘদিন ধরে বৈশ্বিক তেলের দামে প্রভাব বিস্তার করে আসছে।
এদিকে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে তেলের সরবরাহে বিঘ্ন ঘটায় বিশ্বের বৃহত্তম উৎপাদক হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান আরও শক্তিশালী হয়েছে। একই সঙ্গে পেট্রোকেমিক্যাল খাতেও যুক্তরাষ্ট্র লাভবান হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
তবে বিশ্লেষকদের মতে, আমিরাতের এ সিদ্ধান্ত ভবিষ্যতে জ্বালানি বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়াতে পারে এবং অন্য দেশগুলোও একই পথে হাঁটলে বাজারে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।
সব মিলিয়ে, ওপেক থেকে আমিরাতের বেরিয়ে যাওয়া শুধু একটি অর্থনৈতিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং বৈশ্বিক জ্বালানি রাজনীতিতে নতুন শক্তির ভারসাম্যের ইঙ্গিত দিচ্ছে।