অন্তর্বর্তী সরকার কে ইমাম আর কে ইতর ছিলো ? রাশেদ খান
অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার কর্মকাণ্ড, সিদ্ধান্ত ও বিতর্কিত বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে প্রশ্ন তুলে ১৮ মাসের কার্যক্রম তদন্তের দাবি জানিয়েছেন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব রাশেদ খান। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ দাবি জানান।
পোস্টে রাশেদ খান দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ব্যাপক অনিয়ম ও লুটপাট হয়েছে। তার ভাষ্য, বর্তমানে সরকারের সাবেক সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কেউ কেউ বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের অবস্থান পরিষ্কার করার চেষ্টা করছেন এবং কেউ কেউ দায়িত্ব এড়িয়ে চলছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সরকারের দায়িত্বে থাকা অবস্থায় অনেকে নীরব থাকলেও এখন বিভিন্ন বক্তব্য সামনে আসছে। তবে সংশ্লিষ্টদের কেউই দায় এড়াতে পারেন না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
রাশেদ খান আরও দাবি করেন, অন্তর্বর্তী সরকারের কিছু ‘সুবিধাভোগী ও ধান্দাবাজ’ ব্যক্তির বিরুদ্ধে তিনি শুরু থেকেই সোচ্চার ছিলেন। এসব বিষয়ে তার কাছে বিভিন্ন তথ্য আসত বলে পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি। এ কারণে তিনি ওই সরকারের বিরাগভাজনও হয়েছিলেন বলে দাবি করেন।
ফেসবুক পোস্টে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে তিনি সরাসরি বিভিন্ন প্রশ্ন করেছিলেন। বিশেষ করে একজন ব্যক্তিকে ‘মাস্টারমাইন্ড’ হিসেবে উপস্থাপনের বিষয়টি নিয়ে তিনি আপত্তি তুলেছিলেন বলেও উল্লেখ করেন।
রাশেদ খানের ভাষ্য অনুযায়ী, এ বিষয়ে আলোচনার সময় প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস প্রতিক্রিয়া দেখান এবং উপস্থিতদের সামনে বিষয়টি নিয়ে মন্তব্য করেন। ওই বৈঠকে মাহফুজ আলমও উপস্থিত ছিলেন বলে পোস্টে দাবি করা হয়। পোস্টে আরও বলা হয়, বৈঠক শেষে মাহফুজ আলমের সঙ্গে তার সংক্ষিপ্ত কথোপকথন হয়। সেখানে রাষ্ট্র পরিচালনা ও রাজনৈতিক সক্ষমতা নিয়ে মন্তব্য করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন রাশেদ খান।
সবশেষে তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের পুরো সময়কাল তদন্তের দাবি জানিয়ে বলেন, কে সৎভাবে দায়িত্ব পালন করেছেন আর কে ব্যক্তিস্বার্থে কাজ করেছেন-তা জাতির সামনে তুলে ধরা প্রয়োজন।
তবে রাশেদ খানের এসব বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।