পাবনা সদর উপজেলায় এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে এক মাদ্রাসাশিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিক্ষুব্ধ লোকজন মাদ্রাসাটিতে ভাঙচুর চালিয়ে আগুন ধরিয়ে দেন।
শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) পাবনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভাঁড়ারা ইউনিয়নের দড়িভাউডাঙ্গা গ্রামের নুরানি মহিলা মাদ্রাসায় এ ঘটনা ঘটে। অভিযুক্ত শিক্ষকের নাম মো. আবু ইউসুফ।
সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার রাতে মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ ওঠে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে। এ সময় শিক্ষার্থীটি সেখান থেকে পালিয়ে স্থানীয় লোকজনকে বিষয়টি জানায়। পরে স্থানীয় লোকজন মাদ্রাসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে আটক করে মারধর করেন।
খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শিক্ষককে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এর পর শুক্রবার ভোরে বিক্ষুব্ধ লোকজন আবার মাদ্রাসায় গিয়ে ভাঙচুর চালান এবং আগুন ধরিয়ে দেন।
পুলিশ জানায়, মাদ্রাসাটিতে মোট ৬০ জন শিক্ষার্থী রয়েছে। তাদের মধ্যে ৩০ জন আবাসিক। ঘটনার পর বৃহস্পতিবার রাতেই আবাসিক শিক্ষার্থীদের উদ্ধার করে অভিভাবকদের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
পাবনা সদর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বলেন, অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে। এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
তথ্য সূত্র: ঢাকা টাইমস