যুক্তরাষ্ট্রের ২০২৭ সালের ডাইভারসিটি ভিসা (ডিভি) লটারি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বাংলাদেশিরা এবার আবেদন করতে পারবেন কি না, তা জানতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের আনুষ্ঠানিক নির্দেশনার অপেক্ষা করতে হবে। ডিভি লটারি যুক্তরাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পাওয়ার একটি কর্মসূচি, যা সাধারণভাবে ‘গ্রিন কার্ড লটারি’ নামে পরিচিত। ঐতিহাসিকভাবে যুক্তরাষ্ট্রে কমসংখ্যক অভিবাসী পাঠানো দেশগুলোর নাগরিকদের জন্য এ কর্মসূচি চালু করা হয়। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে এই কর্মসূচির অযোগ্য দেশের তালিকায় রয়েছে। ঢাকায় অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের তথ্য অনুযায়ী, উচ্চ অভিবাসন হারের কারণে ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশিরা ডিভি লটারিতে অংশ নেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন না। ২০০৭ থেকে ২০১২ সালের মধ্যে ৫০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি এ কর্মসূচির মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিলেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
ডিভি কর্মসূচিতে প্রতিবছর সর্বোচ্চ ৫৫ হাজার অভিবাসী ভিসা দেওয়ার বিধান রয়েছে। আবেদনকারীদের সাধারণত নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা অথবা শর্ত পূরণকারী পেশায় কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হয়। তবে যোগ্য দেশের নাগরিক হওয়াও আবেদনের অন্যতম শর্ত। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছিল, ডিভি-২০২৭ কর্মসূচির নিবন্ধন শুরুর তারিখ পরবর্তী সময়ে জানানো হবে।
তবে ২০২৬ সালের ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত আবেদন শুরুর তারিখ, বাংলাদেশিদের যোগ্যতা এবং আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী নিবন্ধন চালুর বিষয়ে প্রতিবেদনে উল্লিখিত দাবিগুলো নিশ্চিত করতে হালনাগাদ সরকারি ঘোষণা প্রয়োজন। তাই ১ নভেম্বর থেকে আবেদন শুরু এবং ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন চলার তথ্যও আনুষ্ঠানিকভাবে যাচাই না করে নিশ্চিত বলা যাচ্ছে না।
আগ্রহীদের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ডিভি কর্মসূচির যোগ্য দেশের তালিকা ও নিবন্ধনের সময়সূচি নিশ্চিত হওয়ার পরই আবেদন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত।