যশোর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ২০২৬ সালের এইচএসসি পরীক্ষায় মাগুরার দুটি কলেজ থেকে অংশ নেওয়া কোনো শিক্ষার্থীই পাস করতে পারেননি। প্রতিষ্ঠান দুটি থেকে মোট ১৭ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিয়ে সবাই অকৃতকার্য হয়েছেন। এ ছাড়া জেলার ৩৫টি কলেজের ৬ হাজার ৫৫৬ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ফেল করেছেন ২ হাজার ৪৪৯ জন। এমন ফলাফলে জেলার শিক্ষার মান ও কলেজগুলোর পাঠদান পদ্ধতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
মাগুরা সদর উপজেলার বজরুক শ্রীকুণ্ডী কলেজ থেকে ১৫ জন এবং গোপীনাথপুর এম এ খালেক স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে দুজন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন। কিন্তু দুই প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষার্থীও উত্তীর্ণ হতে পারেননি। ফলে কলেজ দুটির পাসের হার দাঁড়িয়েছে শূন্য শতাংশে।
জেলা শিক্ষা অফিসের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছর মাগুরার ৩৫টি কলেজ থেকে মোট ৬ হাজার ৫৫৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেন। তাঁদের মধ্যে পাস করেছেন ৪ হাজার ১০৭ জন। অকৃতকার্য হয়েছেন ২ হাজার ৪৪৯ জন। জেলায় গড় পাসের হার ৩৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, জেলার দুটি কলেজের কোনো শিক্ষার্থী পাস করতে পারেননি। পাশাপাশি সামগ্রিক ফলাফলেও উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থীর অকৃতকার্য হওয়ার ঘটনায় অভিভাবক ও সচেতন মহলে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এ বিষয়ে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা মো. সহীল উদ্দিন জানান, শতভাগ অকৃতকার্য হওয়া দুটি কলেজই নন-এমপিওভুক্ত। শিক্ষকসংকট, পাঠদানের দুর্বলতাসহ বিভিন্ন কারণে এমন ফলাফল হতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ জানতে প্রতিষ্ঠান দুটির শিক্ষা কার্যক্রম ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।