গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় শ্রমিকদের আন্দোলনে কমপক্ষে ৩০টি কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ।
বুধবার (৪ নভেম্বর) এসব কারখানা ছুটি ঘোষণা করা হয়। সকালে পোশাক কারখানার শ্রমিকরা তাদের নিজ নিজ কর্মস্থলে যান। সেখানে শ্রমিকরা জড়ো হয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন।
এরপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ৩০ থেকে ৩৫টি পোশাক কারখানা বুধবারের জন্য ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, গত কয়েকদিনের মতো বুধবার সকাল ৯টা থেকে বিভিন্ন পোশাক কারখানার শ্রমিকরা গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস, চান্দনা চৌরাস্তা, কোনাবাড়ী ও বাংলাবাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে শ্রমিকরা ভোগড়া বাইপাস এলাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ করেন। তাৎক্ষণিক পুলিশ ও বিজিবিসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। এতে শ্রমিকরা ছত্রভঙ্গ হয়ে বিভিন্ন অলিগলিতে চলে যান। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে গাজীপুরের বিভিন্ন পয়েন্টে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন রয়েছে। তবে এতে হতাহতের কোনো ঘটনা ঘটেনি। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ৩০ থেকে ৩৫টি কারখানা ছুটি ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। এ সময় অনেক শ্রমিক বাড়ি ফিরে যান। তবে কিছু শ্রমিক অস্থিতিশীল পরিবেশ ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে অলিগলিতে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভের চেষ্টা করছেন। দুপুর ১২টা থেকে গাজীপুরের প্রায় সব এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। সড়ক মহাসড়কগুলোতে যানবাহন এবং মানুষজন চলাচল করছে।
গাজীপুর শিল্পাঞ্চল-২ এর পুলিশ সুপার মো. আমজাদ হোসাইন জানান, সকাল ৯টা পর্যন্তই গাজীপুরের পরিবেশ শান্ত ছিল। এরপর শ্রমিকরা কাজে যোগ দিতে গিয়ে কারখানার সামনে জড়ো হয়ে সেখান থেকে বিক্ষোভ শুরু করেন। পরে গাজীপুরের ভোগড়া বাইপাস, চান্দনা চৌরাস্তা ও বাংলা বাজারসহ বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। এসময় টিয়ারশেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়ে শ্রমিকদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। এসব ঘটনায় আজকের জন্য ৩০ থেকে ৩৫টি কারখানা ছুটি ঘোষণা করে কর্তৃপক্ষ। দুপুর থেকে এ পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
রূপক/ ৪ নভেম্বর ২৬